সর্বশেষ
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে খুন

বাংলাদেশে গত পাঁচ বছরে হত্যাকাণ্ডের প্রবণতা থামেনি, বরং ২০২৫ সালেই সর্বোচ্চ হত্যা মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। পুলিশ সদর দফতরের অপরাধ পরিসংখ্যান বলছে, ক্ষমতার পালাবদল, রাজনৈতিক পরিবর্তন কিংবা প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস—কোনোটিই হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা কমাতে পারেনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ঢাকায় মাঠ পার্ক জলাশয় দখল হলেও পরিবেশ আন্দোলনে নীরবতা

পান্থকুঞ্জ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কংক্রিটের আচ্ছাদন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ঢাকায় মাঠ পার্ক জলাশয় দখল হলেও পরিবেশ আন্দোলনে নীরবতা

রাজধানীর পান্থকুঞ্জ পার্কে আবারও শুরু হয়েছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ। কয়েক মাস আগে পরিবেশকর্মীদের আন্দোলন ও হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা আদেশে কাজ বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি সেখানে নতুন করে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। পরিবেশবাদীরা বলছেন, সরকারের এই ভূমিকা তাদের হতাশ করেছে।
আত্মীয় নিয়োগের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুদকের হানা

ভিসি-প্রোভিসিদের ভয়াবহ দুর্নীতি আত্মীয় নিয়োগের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুদকের হানা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ভয়াবহ অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে সরাসরি অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুদকের জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এর একটি এনফোর্সমেন্ট টিম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম।
নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বাড়ছে

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বাড়ছে

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশে নারী, কন্যাশিশু ও ধর্মীয়–জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। ২০২৪ সালের আগস্টের ‘বর্ষা বিপ্লব’-এর পর এটি হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন। তবে নির্বাচনপূর্ব এই পরিস্থিতি অন্তর্বর্তী সরকারের মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থতাকেই স্পষ্ট করে তুলছে বলে মনে করছে সংস্থাটি।
“ইসরায়েলিদের টাকায় চলা দলে আমি থাকতে পারি না”

গণ অধিকার পরিষদ ছাড়া নিয়ে রেজা কিবরিয়া “ইসরায়েলিদের টাকায় চলা দলে আমি থাকতে পারি না”

গণ অধিকার পরিষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ব্যাখ্যায় দলটির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন অর্থনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি বলেছেন, “যে দল ইসরায়েলিদের টাকায় চলে, সেই দলে আমার থাকা সম্ভব নয়।” সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচিত
সংস্কৃতির ওপর চাপ, সহনশীলতার ভাঙন ও রাষ্ট্রের নীরব পরীক্ষা

বছর শেষে বাংলাদেশ সংস্কৃতির ওপর চাপ, সহনশীলতার ভাঙন ও রাষ্ট্রের নীরব পরীক্ষা

২০২৫ সালজুড়ে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিসরে একের পর এক ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়ে সহনশীলতা ও রাষ্ট্রের দায়। জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রতিবেদনে উঠে আসে—মাজার ভাঙচুর, প্রতিমা ধ্বংস, বাউলদের ওপর হামলা, সংগীতানুষ্ঠান ও কনসার্ট বাতিল এবং শিক্ষাব্যবস্থায় সংগীত শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিরোধ। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবারই কঠোর অবস্থানের কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ে তার বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্ক রয়ে গেছে।
বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা

বিদায় ২০২৫, স্বাগত ২০২৬ বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা

আরও একটি বছর ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হলো। ২০২৫ বিদায় নিল বাংলাদেশের জন্য এক গভীর অস্বস্তির স্মৃতি নিয়ে। এই বছরটি কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতার নয়; বরং সামাজিক নিরাপত্তা, মানবাধিকার, অর্থনীতি এবং গণতান্ত্রিক আস্থার একাধিক স্তরে সংকটের প্রতিচ্ছবি হয়ে রইল। নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে, কিন্তু সেই প্রত্যাশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন কিছু প্রশ্ন, চ্যালেঞ্জ এবং গভীর শঙ্কাও।
২০২৫ সালে মানবাধিকার পরিস্থিতি গভীর সংকটে, মব সন্ত্রাসে নিহত ১৯৭ জন

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর প্রতিবেদন ২০২৫ সালে মানবাধিকার পরিস্থিতি গভীর সংকটে, মব সন্ত্রাসে নিহত ১৯৭ জন

২০২৫ সালে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল অস্থির ও গভীরভাবে উদ্বেগজনক। আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক) প্রকাশিত বার্ষিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে মব সন্ত্রাস বা গণপিটুনির ঘটনায় কমপক্ষে ১৯৭ জন নিহত হয়েছেন, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল অন্তত ১২৮ জন যার অধিকাংশই আবার ৫ আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর।
সহিংস-সংস্কৃতি ও নীরবতার রাজনীতি

বছর শেষে বাংলাদেশ সহিংস-সংস্কৃতি ও নীরবতার রাজনীতি

২০২৫ সাল বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য ছিল এক অস্বস্তিকর সময়। এই বছরটি যেমন শিল্প–সৃজনের কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে, তেমনি একই সঙ্গে উন্মোচিত করেছে একটি গভীর সংকট। যেখানে সংস্কৃতি, মতপ্রকাশ ও বহুত্ববাদ ক্রমেই অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। বছর শেষে ফিরে তাকালে স্পষ্ট হয় এটি কেবল শিল্পের হিসাব নয়; এটি রাষ্ট্র, সমাজ ও নৈতিক অবস্থানের এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার বছর।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র : আশা, অর্জন ও প্রশ্নের বছর

বছর শেষে বাংলাদেশ বাংলাদেশের চলচ্চিত্র : আশা, অর্জন ও প্রশ্নের বছর

২০২৫ সালে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে একাধিক ইতিবাচক খবর আলোচনায় আসে। ‘দেলুপি’, ‘রইদ’ ও ‘মাস্টার’-এই তিনটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ইউরোপের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নেয়। বিষয়বস্তু ও নির্মাণভাষার কারণে সিনেমাগুলো সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সিনেমার উপস্থিতি নতুন করে দৃশ্যমান হয়। এটি প্রমাণ করে যে স্বল্প বাজেট ও সীমিত অবকাঠামোর মধ্যেও বাংলাদেশের নির্মাতারা বিশ্বমানের চলচ্চিত্রভাষা আয়ত্ত করতে সক্ষম হচ্ছেন।
ধর্ষণ বেড়েছে দ্বিগুণ হারে

বছর শেষে বাংলাদেশ ধর্ষণ বেড়েছে দ্বিগুণ হারে

বিদায়ী বছরটি ছিল নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের জন্য ভয়াবহ। ২০২৫ সালে ধর্ষণ ও পারিবারিক সহিংসতার মাত্রা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ষণের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছে কন্যাশিশুরা। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যথাযথ নজরদারির অভাবেই এ ধরনের ঘটনা বেড়েছে। অপরাধীরা এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, তারা নারী ও শিশু কাউকেই রেহাই দেয়নি। অনেক ক্ষেত্রে ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভিকটিমকে হত্যা করা হয়েছে।
সব খবর