সর্বশেষ
মহাজনের মরীচিকা ও রোহিঙ্গা শিবিরের ‘সেমাই-বিপ্লব’

মানুষের আশার গুড়ে বালি পড়া দেখিলে পাষাণ হৃদয়েও দীর্ঘশ্বাস জাগে, কিন্তু সেই বালি যদি হয় সুদি মহাজনের আশ্বাস-মিশ্রিত, তবে তাহা আর বিষাদ থাকে না—পরম কৌতুকে পরিণত হয়। গত বৎসরের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের কথা স্মরণ করুন, যখন গ্রামীণ অর্থনীতির জাদুকর, অন্ধজনের নয়নমণি, শান্তিতে নোবেলজয়ী ডক্টর মুহাম্মাদ ইউনূস সাহেব রোহিঙ্গা শিবিরে পদধূলি দিয়াছিলেন। তাঁহার সেই অভয়বাণী—‘আগামী ঈদ রোহিঙ্গাগণ স্বদেশে পালন করিবেন’—শুনিয়া মজলুম রোহিঙ্গাদের মনে যে আনন্দের হিল্লোল বহিয়া গিয়াছিল, তাহা দেখিলে মনে হইত বুঝি নাফ নদীর জলও খুশিতে উথলাইয়া উঠিয়াছে।

ঈদে সড়ক-মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল

দেশজুড়ে ত্রিশের অধিক প্রাণহানি ঈদে সড়ক-মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল

ঈদের আনন্দ ঘিরে যখন ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে সড়ক ও মহাসড়কে, ঠিক তখনই দেশের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ফেনী, হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পৃথক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন বহু মানুষ। এসব ঘটনায় আবারও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কুমিল্লায় লেভেল ক্রসিংয়ে ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত অন্তত ১২ জন

দুই গেটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে তিন কমিটি কুমিল্লায় লেভেল ক্রসিংয়ে ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত অন্তত ১২ জন

কুমিল্লার একটি লেভেল ক্রসিংয়ে বাস ও ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা দুই গেটম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোট তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শাকিব এগিয়ে সিঙ্গেল স্ক্রিনে, মাল্টিপ্লেক্সে অন্যদের ভরসা

ঈদে পাঁচ সিনেমার লড়াই শাকিব এগিয়ে সিঙ্গেল স্ক্রিনে, মাল্টিপ্লেক্সে অন্যদের ভরসা

এবারের ঈদুল ফিতর ঘিরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে পাঁচটি নতুন সিনেমা। বৈচিত্র্যময় গল্প, ভিন্নধর্মী নির্মাণ এবং তারকাবহুল উপস্থিতিতে সিনেমাগুলো নিয়ে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। সাহিত্যনির্ভর কাহিনি থেকে শুরু করে অ্যাকশন, থ্রিলার, নারীকেন্দ্রিক ড্রামা মিলিয়ে এবারের ঈদের চলচ্চিত্র বাজারে রয়েছে বৈচিত্র্যের ছাপ।
নিরাপত্তা কড়াকড়ি ও আতঙ্কে ম্লান উৎসব

যুদ্ধের ছায়ায় মধ্যপ্রাচ্যে ঈদ নিরাপত্তা কড়াকড়ি ও আতঙ্কে ম্লান উৎসব

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাতের কারণে এ বছর ঈদুল ফিতরের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান-এর পাল্টা আক্রমণের পর পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বড় এই ধর্মীয় উৎসবেও।
নির্বাচিত
বছরে ৪২ হাজার কোটি টাকার মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে হবে

শুল্কছাড়ের নামে শুভঙ্করের ফাঁকি বছরে ৪২ হাজার কোটি টাকার মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে হবে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত পাল্টা শুল্কসংক্রান্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলা দিয়ে তৈরি পোশাক শুল্কমুক্তভাবে তাদের বাজারে প্রবেশাধিকার পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। তবে এর বিনিময়ে বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার কৃষিপণ্য কিনতে হবে। অর্থাৎ, শুল্কছাড়ের নামে আসলে বাংলাদেশের ওপর নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।
আঞ্চলিক দলবিহীন ভোটে মিইয়ে গেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অংশগ্রহণ

পাহাড়ে নেই নির্বাচনের আমেজ আঞ্চলিক দলবিহীন ভোটে মিইয়ে গেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অংশগ্রহণ

দেশের অন্য জেলাগুলোতে যখন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে প্রচার–প্রচারণা, পোস্টার–ব্যানার আর মিছিল–মিটিংয়ের পরিবেশ, তখন পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। এখানে নেই নির্বাচনী উত্তাপ, নেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। স্থানীয় ভোটার, সাংবাদিক ও নির্বাচন–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাহাড়ে এবারের নির্বাচন অনেকটাই ‘পানসে’, আগ্রহহীন ও একতরফা হয়ে পড়েছে।
নারী ভোটারই ‘টার্গেট’, কিন্তু প্রার্থী তালিকায় উপেক্ষিত নারী নেতৃত্ব

নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব সংকটে সমালোচনা নারী ভোটারই ‘টার্গেট’, কিন্তু প্রার্থী তালিকায় উপেক্ষিত নারী নেতৃত্ব

দেশের মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেকের বেশি নারী। সংখ্যার বিচারে তারাই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ‘টার্গেট গ্রুপ’। অথচ প্রার্থী তালিকা ও নির্বাচনি প্রচারণার নেতৃত্বে নারীদের উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে কম—এমন বৈপরীত্যকে ঘিরে এবারের জাতীয় নির্বাচনে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে। নারী অধিকারকর্মীরা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর এই ‘উন্নাসিকতা’ কেবল প্রতীকী নয়, বরং নারীর নেতৃত্ব বিকাশের পথে কাঠামোগত বাধা তৈরি করছে।
জুলাই সনদ সম্পর্কে জানে না ৭৭% মানুষ, না বুঝেই গণভোটের পথে দেশ

আইআইডি জরিপে উদ্বেগজনক চিত্র জুলাই সনদ সম্পর্কে জানে না ৭৭% মানুষ, না বুঝেই গণভোটের পথে দেশ

বহুল আলোচিত জুলাই জাতীয় সনদকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের প্রক্রিয়া এগোলেও এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষেরই পরিষ্কার ধারণা নেই। একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদে কী আছে তা জানেন না। অর্থাৎ, যেই সনদের ওপর ভিত্তি করে আসন্ন গণভোট ও সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটি সম্পর্কে জনগণের বড় অংশই অন্ধকারে রয়েছে।
চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

নতুন আশা নেই বিনিয়োগে চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিনিয়োগে নতুন জোয়ারের যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, দেড় বছর পর তার কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন নেই। বরং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এখন সময় চাইছে, সম্মেলনের ফল পেতে ‘আরও অপেক্ষা’ করার যুক্তিতে আড়াল করা হচ্ছে ধারাবাহিক ব্যর্থতা। ২০২৪ সালের ৭–১০ এপ্রিল আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার প্রস্তাব এলেও এরপর নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ধারা তৈরি হয়নি।
সব খবর
মহাজনের মরীচিকা ও রোহিঙ্গা শিবিরের ‘সেমাই-বিপ্লব’
মহাজনের মরীচিকা ও রোহিঙ্গা শিবিরের ‘সেমাই-বিপ্লব’

মানুষের আশার গুড়ে বালি পড়া দেখিলে পাষাণ হৃদয়েও দীর্ঘশ্বাস জাগে, কিন্তু সেই বালি যদি হয় সুদি মহাজনের আশ্বাস-মিশ্রিত, তবে তাহা আর বিষাদ থাকে না—পরম কৌতুকে পরিণত হয়। গত বৎসরের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের কথা স্মরণ করুন, যখন গ্রামীণ অর্থনীতির জাদুকর, অন্ধজনের নয়নমণি, শান্তিতে নোবেলজয়ী ডক্টর মুহাম্মাদ ইউনূস সাহেব রোহিঙ্গা শিবিরে পদধূলি দিয়াছিলেন। তাঁহার সেই অভয়বাণী—‘আগামী ঈদ রোহিঙ্গাগণ স্বদেশে পালন করিবেন’—শুনিয়া মজলুম রোহিঙ্গাদের মনে যে আনন্দের হিল্লোল বহিয়া গিয়াছিল, তাহা দেখিলে মনে হইত বুঝি নাফ নদীর জলও খুশিতে উথলাইয়া উঠিয়াছে।

শূন্য প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত
ইউনূসের মিথ্যে প্রতিশ্রুতির এক বছর পার শূন্য প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত

এবছরের ঈদের আগে নিজ দেশে ফেরার প্রতিশ্রুতি যা একসময় আশার আলো জ্বালিয়েছিল এক বছর পর এসে তা এখন রোহিঙ্গাদের কাছে ভেঙে পড়া স্বপ্নের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ কক্সবাজারের উখিয়ায় শরণার্থী ক্যাম্পে ইফতার অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২৬ সালের ঈদের আগেই রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের চেষ্টা করা হবে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, সেই প্রতিশ্রুতি এখনো অধরাই রয়ে গেছে।