সর্বশেষ
ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নে পাকিস্তানের দীর্ঘ নীরবতা

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ১৯৭১ সাল এক গভীর রক্তাক্ত অধ্যায়। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ, লাখো মানুষের প্রাণহানি এবং ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। কিন্তু স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা আজও অধরা যা দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম অমীমাংসিত প্রশ্ন হয়ে আছে।

তিন সন্তানসহ এক নারী ডিবি হেফাজতে

স্মৃতিসৌধে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তিন সন্তানসহ এক নারী ডিবি হেফাজতে

স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে এসে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ায় এক নারীকে তার তিন সন্তানসহ হেফাজতে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে স্মৃতিসৌধের ফোয়ারা চত্বর থেকে তাকে আটক করা হয়।
দিনাজপুরে কিতাবে তেল আছে, পাম্পে নাই

তেল নিয়ে তেলেসমাতি দিনাজপুরে কিতাবে তেল আছে, পাম্পে নাই

দিনাজপুরে জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। জেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকায় গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল পাওয়া গেলেও তা চাহিদা মেটাতে পারছে না। ফলে পাম্প খোলার খবর পেলেই শত শত বাইকার সেখানে ভিড় করছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে সামান্য তেল মিলছে, আবার অনেকেই খালি হাতে ফিরছেন।
নির্বাচিত
বছরে ৪২ হাজার কোটি টাকার মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে হবে

শুল্কছাড়ের নামে শুভঙ্করের ফাঁকি বছরে ৪২ হাজার কোটি টাকার মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে হবে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত পাল্টা শুল্কসংক্রান্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলা দিয়ে তৈরি পোশাক শুল্কমুক্তভাবে তাদের বাজারে প্রবেশাধিকার পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। তবে এর বিনিময়ে বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার কৃষিপণ্য কিনতে হবে। অর্থাৎ, শুল্কছাড়ের নামে আসলে বাংলাদেশের ওপর নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।
আঞ্চলিক দলবিহীন ভোটে মিইয়ে গেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অংশগ্রহণ

পাহাড়ে নেই নির্বাচনের আমেজ আঞ্চলিক দলবিহীন ভোটে মিইয়ে গেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অংশগ্রহণ

দেশের অন্য জেলাগুলোতে যখন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে প্রচার–প্রচারণা, পোস্টার–ব্যানার আর মিছিল–মিটিংয়ের পরিবেশ, তখন পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। এখানে নেই নির্বাচনী উত্তাপ, নেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। স্থানীয় ভোটার, সাংবাদিক ও নির্বাচন–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাহাড়ে এবারের নির্বাচন অনেকটাই ‘পানসে’, আগ্রহহীন ও একতরফা হয়ে পড়েছে।
নারী ভোটারই ‘টার্গেট’, কিন্তু প্রার্থী তালিকায় উপেক্ষিত নারী নেতৃত্ব

নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব সংকটে সমালোচনা নারী ভোটারই ‘টার্গেট’, কিন্তু প্রার্থী তালিকায় উপেক্ষিত নারী নেতৃত্ব

দেশের মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেকের বেশি নারী। সংখ্যার বিচারে তারাই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ‘টার্গেট গ্রুপ’। অথচ প্রার্থী তালিকা ও নির্বাচনি প্রচারণার নেতৃত্বে নারীদের উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে কম—এমন বৈপরীত্যকে ঘিরে এবারের জাতীয় নির্বাচনে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে। নারী অধিকারকর্মীরা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর এই ‘উন্নাসিকতা’ কেবল প্রতীকী নয়, বরং নারীর নেতৃত্ব বিকাশের পথে কাঠামোগত বাধা তৈরি করছে।
জুলাই সনদ সম্পর্কে জানে না ৭৭% মানুষ, না বুঝেই গণভোটের পথে দেশ

আইআইডি জরিপে উদ্বেগজনক চিত্র জুলাই সনদ সম্পর্কে জানে না ৭৭% মানুষ, না বুঝেই গণভোটের পথে দেশ

বহুল আলোচিত জুলাই জাতীয় সনদকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের প্রক্রিয়া এগোলেও এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষেরই পরিষ্কার ধারণা নেই। একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদে কী আছে তা জানেন না। অর্থাৎ, যেই সনদের ওপর ভিত্তি করে আসন্ন গণভোট ও সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটি সম্পর্কে জনগণের বড় অংশই অন্ধকারে রয়েছে।
চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

নতুন আশা নেই বিনিয়োগে চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিনিয়োগে নতুন জোয়ারের যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, দেড় বছর পর তার কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন নেই। বরং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এখন সময় চাইছে, সম্মেলনের ফল পেতে ‘আরও অপেক্ষা’ করার যুক্তিতে আড়াল করা হচ্ছে ধারাবাহিক ব্যর্থতা। ২০২৪ সালের ৭–১০ এপ্রিল আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার প্রস্তাব এলেও এরপর নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ধারা তৈরি হয়নি।
সব খবর
শূন্য প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত
ইউনূসের মিথ্যে প্রতিশ্রুতির এক বছর পার শূন্য প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত

এবছরের ঈদের আগে নিজ দেশে ফেরার প্রতিশ্রুতি যা একসময় আশার আলো জ্বালিয়েছিল এক বছর পর এসে তা এখন রোহিঙ্গাদের কাছে ভেঙে পড়া স্বপ্নের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ কক্সবাজারের উখিয়ায় শরণার্থী ক্যাম্পে ইফতার অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২৬ সালের ঈদের আগেই রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের চেষ্টা করা হবে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, সেই প্রতিশ্রুতি এখনো অধরাই রয়ে গেছে।