সর্বশেষ
সকল দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য নয়, স্থগিতের আহ্বান

দেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশে–বিদেশে কর্মরত ১৩৫ জন বাংলাদেশি সাংবাদিক। তাঁদের দাবি, আওয়ামী লীগের মতো বৃহৎ রাজনৈতিক দলসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণকারী শক্তিগুলোকে কার্যত নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে রেখে একপাক্ষিক নির্বাচন আয়োজন গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনার পরিপন্থী এবং এমন নির্বাচন কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

নির্বাচন প্রত্যাখ্যান ও বর্জনের ডাক ৫০১ প্রকৌশলীর

অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন নির্বাচন প্রত্যাখ্যান ও বর্জনের ডাক ৫০১ প্রকৌশলীর

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ‘প্রহসনের ভোট’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান ও বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন দেশ-বিদেশে অবস্থানরত মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী ৫০১ জন প্রকৌশলী। বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা দাবি করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় এবং বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিবেশ ভোটারদের স্বাধীন মতপ্রকাশ ও অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় হিমশিম খাচ্ছে ইউনূস সরকার, অন্যায্যভাবে হাজারো আওয়ামী লীগ কর্মী গ্রেপ্তার

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বার্ষিক প্রতিবেদন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় হিমশিম খাচ্ছে ইউনূস সরকার, অন্যায্যভাবে হাজারো আওয়ামী লীগ কর্মী গ্রেপ্তার

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিশ্রুত মানবাধিকার সংস্কার বাস্তবায়নে কার্যত হিমশিম খাচ্ছে—এমন মূল্যায়ন করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী সরকারের সময়কার গুম, ভয়ভীতি ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতি কিছুটা কমলেও নতুন করে রাজনৈতিক বিবেচনায় গ্রেপ্তার, নির্বিচার আটক এবং মব সহিংসতার বিস্তার দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আবারও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
ইউনূস সরকারের ১৭ মাসজুড়েই মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক

মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ইউনূস সরকারের ১৭ মাসজুড়েই মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক

মানবাধিকার সহায়তা সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) জানিয়েছে, ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসে দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা, মব ভায়োলেন্স, সাংবাদিক নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সীমান্ত হত্যা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ নানা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।
ভারতের মার্কিন শুল্ক কমায় চাপে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি

ভারতের মার্কিন শুল্ক কমায় চাপে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র-ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তিতে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে নতুন সংকটে ফেলেছে। ভারতের পণ্যের ওপর মার্কিন বাজারে শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশে আনা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর কার্যকর শুল্ক এখনো ২০ শতাংশে রয়েছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রধান রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে মূল্যগত ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নির্বাচিত
আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে সংকটে বাংলাদেশ ক্রিকেট

ভুলের রাজ্যে বিসিবি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে সংকটে বাংলাদেশ ক্রিকেট

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে সরাসরি সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ নতুন নয়। তবে সেই হস্তক্ষেপকে সামাল না দিয়ে বরং ধারাবাহিক ভুল সিদ্ধান্তে ক্রিকেট প্রশাসনকে আরও গভীর সংকটে ফেলেছেন বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল—এমন অভিযোগ এখন বিসিবির ভেতর-বাইরের সংগঠকদের কণ্ঠে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহণের বছর

বাড়ছে ঋণফাঁদের শঙ্কা ২০২৪-২৫ অর্থবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহণের বছর

২০২৪-২৫ অর্থবছর বাংলাদেশের সরকারি ঋণ ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন অধ্যায় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই এক অর্থবছরেই দেশী ও বিদেশী উৎস থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা যা একক বছরে ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর ফলে দেশের মোট সরকারি ঋণের স্থিতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৫০ হাজার ৯০৪ কোটি টাকায়।
বিশ্বকাপ ব্যর্থতা আড়াল করতে আনা হলো ‘সাকিব কার্ড’

বিসিবি ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বিশ্বকাপ ব্যর্থতা আড়াল করতে আনা হলো ‘সাকিব কার্ড’

আইসিসির সিদ্ধান্তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের ছিটকে পড়া এটা শুধু একটি ক্রীড়াবিষয়ক ব্যর্থতা নয়, বরং দেশের ক্রিকেট পরিচালনা ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের বড় ধরনের ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। ঠিক এমন মুহূর্তেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সামনে আনল বহুদিন দেশের বাইরে থাকা সাকিব আল হাসানকে আবার জাতীয় দলে ফেরানোর প্রসঙ্গ। এই ‘টাইমিং’ই স্পষ্ট করে দেয়, বিশ্বকাপ ব্যর্থতার চাপ সামলাতে বিসিবি সচেতনভাবেই খেলেছে ‘সাকিব কার্ড’।
চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

নতুন আশা নেই বিনিয়োগে চমক নয়, ব্যর্থতার হিসাবই বড় হয়ে উঠছে বিডার সামনে

জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিনিয়োগে নতুন জোয়ারের যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, দেড় বছর পর তার কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন নেই। বরং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এখন সময় চাইছে, সম্মেলনের ফল পেতে ‘আরও অপেক্ষা’ করার যুক্তিতে আড়াল করা হচ্ছে ধারাবাহিক ব্যর্থতা। ২০২৪ সালের ৭–১০ এপ্রিল আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার প্রস্তাব এলেও এরপর নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ধারা তৈরি হয়নি।
বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা

বিদায় ২০২৫, স্বাগত ২০২৬ বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা

আরও একটি বছর ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হলো। ২০২৫ বিদায় নিল বাংলাদেশের জন্য এক গভীর অস্বস্তির স্মৃতি নিয়ে। এই বছরটি কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতার নয়; বরং সামাজিক নিরাপত্তা, মানবাধিকার, অর্থনীতি এবং গণতান্ত্রিক আস্থার একাধিক স্তরে সংকটের প্রতিচ্ছবি হয়ে রইল। নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে, কিন্তু সেই প্রত্যাশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন কিছু প্রশ্ন, চ্যালেঞ্জ এবং গভীর শঙ্কাও।
সব খবর
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় হিমশিম খাচ্ছে ইউনূস সরকার, অন্যায্যভাবে হাজারো আওয়ামী লীগ কর্মী গ্রেপ্তার
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বার্ষিক প্রতিবেদন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় হিমশিম খাচ্ছে ইউনূস সরকার, অন্যায্যভাবে হাজারো আওয়ামী লীগ কর্মী গ্রেপ্তার

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিশ্রুত মানবাধিকার সংস্কার বাস্তবায়নে কার্যত হিমশিম খাচ্ছে—এমন মূল্যায়ন করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী সরকারের সময়কার গুম, ভয়ভীতি ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতি কিছুটা কমলেও নতুন করে রাজনৈতিক বিবেচনায় গ্রেপ্তার, নির্বিচার আটক এবং মব সহিংসতার বিস্তার দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আবারও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।