সর্বশেষ

সমন্বয়ক ফারজানা তমা ১০ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২০:০৪
সমন্বয়ক ফারজানা তমা ১০ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার

আলোচিত সমন্বয়ক ফারজানা তমা (২১) অবশেষে রাজধানীর উত্তরায় চাঁদাবাজির মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর আগে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের বাড়ির সামনে উস্কানিমূলক স্লোগান দেওয়ার কারণে ব্যাপক সমালোচিত হন। এবার তার বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

 

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (৬২) বাদী হয়ে মামলা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর রাত ১টার দিকে আসামি এএইচএম নোমান রেজা, তানজিল হোসেন, ফারজানা তমাসহ আরও কয়েকজন উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় অনধিকার প্রবেশ করেন। সেখানে তারা বাদীর ভগ্নীপতিকে পূর্বের মামলায় অব্যাহতি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ভয়ভীতি দেখান এবং ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেন।

 

ভুক্তভোগী চাপের মুখে পড়ে সাড়ে ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আসামীদের দেন। তবে তারা বাকি ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দ্রুত পরিশোধের জন্য হুমকি দিতে থাকেন। টাকা না দিলে পরিবারের সদস্যদের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়।

 

এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ প্রথমে সমন্বয়ক নোমান রেজাকে বিমানবন্দর থানার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সমন্বয়ক তানজিল হোসেন ও ফারজানা তমাকে উত্তরার জসিম উদ্দিন এলাকা থেকে আটক করা হয়।

 

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত তাদের জামিনের আবেদন নাকচ করেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল মালেক খান আদালতে আসামীদের আটক রাখার আবেদন করেন।

 

উল্লেখ্য, ফারজানা তমা এর আগে ফজলুর রহমানের ঢাকার বাড়ির সামনে “হাসিনা কত টাকা দিছে” ও “ফজলু আমার শাউ’য়া” ধরনের স্লোগান দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সেই সমালোচিত সমন্বয়ক এবার চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেলেন।

সব খবর

আরও পড়ুন

চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে রাতভর দলবদ্ধ ধর্ষণ

চালক-হেলপারসহ আটক ৩ চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে রাতভর দলবদ্ধ ধর্ষণ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে খুন

৫ বছরে সর্বোচ্চ হত্যা মামলা ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে খুন

মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নাইট ডিউটির সময় নারীকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ

২ আনসার সদস্য গ্রেপ্তার মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নাইট ডিউটির সময় নারীকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ

যশোরে এক বছরে ৬২ হত্যাকাণ্ড

জনমনে আতঙ্ক যশোরে এক বছরে ৬২ হত্যাকাণ্ড

দুই দফায় মারধর, ঘটনায় ৮ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ

বসুন্ধরায় আইনজীবী হত্যাকাণ্ড দুই দফায় মারধর, ঘটনায় ৮ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা

আবারও মব সহিংসতার ঘটনায় নগরজুড়ে উদ্বেগ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা

১৩ বছর বয়সী কিশোরীর মৃত্যু, মূল অভিযুক্ত আটক

কক্সবাজারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১৩ বছর বয়সী কিশোরীর মৃত্যু, মূল অভিযুক্ত আটক

মব সন্ত্রাসের পর অনেক কথা হয়, বিচার হয় না

এবছর মবের হাতে প্রাণ গেছে অন্তত ১৮৪ জনের মব সন্ত্রাসের পর অনেক কথা হয়, বিচার হয় না