English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
অর্থনীতি প্রতিবেদক
বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক তৎপরতা
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) বাংলাদেশের জন্য আগামী দুই বছরে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকি হিসেবে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক তৎপরতাকে চিহ্নিত করেছে। সংস্থাটির প্রকাশিত গ্লোবাল রিস্কস রিপোর্ট ২০২৬-এ বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য এই ঝুঁকিই সবচেয়ে গুরুতর হবে।
জাতিসংঘের মূল্যায়নে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশে
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে তীব্র মূল্যস্ফীতি সংকটে রয়েছে বাংলাদেশ—এমন স্পষ্ট মূল্যায়ন দিয়েছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও স্থবির ব্যবসায়িক পরিবেশের কারণে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এই দুই আন্তর্জাতিক সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের চিত্র উঠে এসেছে।
ভারত বয়কটের ডাক দিয়ে ভারত থেকে আমদানি বেড়েছে সবচেয়ে বেশি
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারত-বিরোধী স্লোগান নতুন কিছু নয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকার ও তাদের অংশীজনদের রাজনৈতিক বক্তব্যে ভারত-বিরোধিতা যেন বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। রাজনৈতিক বক্তৃতায় ভারতকে দায়ী করা হচ্ছে দেশের অভ্যন্তরীণ নানা সংকটের জন্য। সীমান্ত হত্যা থেকে শুরু করে বাণিজ্য বৈষম্য—সব কিছুর বিরুদ্ধেই জনসমক্ষে তীব্র সমালোচনা করা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত ব্যর্থতায় দীর্ঘায়িত হচ্ছে এলপিজি সংকট
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলমান তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংকটের এখনও কার্যকর কোনো সমাধান মেলেনি। সরকারের একাধিক উদ্যোগ সত্ত্বেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। ব্যবসায়ীদের পর্যাপ্ত সাড়া না পাওয়ার পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে আমদানি ও বোতলজাতকরণের সীমিত সক্ষমতার কারণে সংকট দ্রুত কাটার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।
অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত প্রস্তুতি ও সক্ষমতার ঘাটতিতে এডিপির আকার কমল ১৩ শতাংশ
চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাঝপথে এসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ১৩ শতাংশের বেশি কমিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সংশোধিত এডিপিতে ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ কমিয়ে মোট আকার নামিয়ে আনা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকায়। সবচেয়ে বড় কাটছাঁট পড়েছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে—যে দুটি খাতকে পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকার দীর্ঘদিন ধরে মানব উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।
নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় তীব্র সংকটে খেটে খাওয়া মানুষ
বাংলাদেশে আয় বাড়লেও ব্যয়ের চাপ আরও দ্রুত বাড়ছে। মূল্যস্ফীতি কমার পরিসংখ্যান থাকলেও বাস্তবে মানুষের জীবনে স্বস্তি নেই। খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত পর্যন্ত সবাই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সংকটে পড়েছেন। সরকারি প্রতিবেদনেও দেখা যাচ্ছে, গত কয়েক বছর ধরে মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির তুলনায় অনেক কম। ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে।
রপ্তানি কমতে কমতে ঋণাত্মক ধারায় চলছে দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি
চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশের রফতানি খাত নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মুখে পড়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রফতানি হয়েছে ২৩.৯৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৪.৫৩ বিলিয়ন ডলার। এ হিসেবে রফতানি কমেছে ২.১৯ শতাংশ।
‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক অধ্যাদেশ’ নিয়ে এনজিও খাতের উদ্বেগ
সরকারের প্রস্তাবিত ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক অধ্যাদেশ’ দেশের ক্ষুদ্রঋণ খাতের বাস্তবতা ও দীর্ঘদিনের অর্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এনজিও ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরা। তাদের মতে, এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নে ক্ষুদ্রঋণ খাতের ইতিবাচক ভূমিকা ব্যাহত হতে পারে।
ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়ালো ৮.৪৯ শতাংশ
দেশে চলমান মূল্যচাপ আরও তীব্র হয়েছে সদ্য সমাপ্ত বছরের ডিসেম্বর মাসে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ডিসেম্বর মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৪৯ শতাংশ। আগের মাস নভেম্বরে এই হার ছিল ৮.২৯ শতাংশ এবং অক্টোবর মাসে ছিল ৮.১৭ শতাংশ। অর্থাৎ মাত্র দুই মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ৩২ বেসিস পয়েন্ট।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে লেনদেন শুরু
এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত হয়েছে নতুন প্রতিষ্ঠান—সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। বৃহস্পতিবার থেকে ব্যাংকটির স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হলেও সব শাখায় গ্রাহকরা টাকা তুলতে পারেননি।
পাতা 1 এর 10.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি