English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
নাহিদ ভূঞা
জুলাই চেতনা মানে যেন ‘নো উইমেন, নো ক্রাই’ গণতন্ত্র
জুলাইয়ের সহিংসতায় নারীদের রাখা হয়েছিল সামনের সারিতে—রাস্তায়, মিছিলে, সংঘাতে। অথচ সেই তথাকথিত আন্দোলনের রাজনৈতিক ফলাফল হিসেবে যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসছে, সেখানে নারীরাই অদৃশ্য। যেন তাদের ব্যবহার করে স্বার্থোদ্ধারের পর ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়েছে। প্রশ্নটা তাই অনিবার্য, ভোটের মাঠে নারী কোথায়? রাজনৈতিক দলগুলো কি জুলাইয়ে দেয়া আশ্বাস রেখেছে?
ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আন্দোলন–গণসংযোগ জোরদারের নির্দেশ শেখ হাসিনার
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, ছাত্রলীগের ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলন–সংগঠন পরিচালনার রূপরেখার নির্দেশনা দিয়েছেন। রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে ভার্চুয়ালি আয়োজিত এই সভাটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ফেইসবুকে পেইজে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।
বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা
আরও একটি বছর ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হলো। ২০২৫ বিদায় নিল বাংলাদেশের জন্য এক গভীর অস্বস্তির স্মৃতি নিয়ে। এই বছরটি কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতার নয়; বরং সামাজিক নিরাপত্তা, মানবাধিকার, অর্থনীতি এবং গণতান্ত্রিক আস্থার একাধিক স্তরে সংকটের প্রতিচ্ছবি হয়ে রইল। নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে, কিন্তু সেই প্রত্যাশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন কিছু প্রশ্ন, চ্যালেঞ্জ এবং গভীর শঙ্কাও।
প্রশাসনিক নির্লিপ্ততা যেন সহিংসতার নীরব লাইসেন্স
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বাস্তবতায় একের পর এক হামলা, হত্যাকাণ্ড, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা কেবল বিচ্ছিন্ন অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ আর নেই। ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক হামলা, ময়মনসিংহে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে গাছে বেঁধে পুড়িয়ে হত্যা, লক্ষ্মীপুরে ঘরের ভেতর আগুনে সাত বছরের শিশুর মৃত্যুর ঘটনাগুলো গত ১৬ মাস ধরে চলমান গভীর রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার দিকেই ইঙ্গিত করে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক প্রশ্নটি হলো: এসব ঘটনা ঘটার আগে ও পরে প্রশাসন এতটা নিষ্ক্রিয় বা ‘নির্লিপ্ত’ কেন?
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বন্দি সাংবাদিকতা
বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য দায়িত্ব নেওয়া সরকারগুলো (ভূতপূর্ব তত্ত্বাবধায়ক সরকার) সাধারণত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অবাধ নির্বাচন এবং নাগরিক স্বাধীনতা সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে প্রত্যাশা ছিল মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। কিন্তু বাস্তবতা ক্রমশ সেই প্রত্যাশার বিপরীত চিত্রই তুলে ধরছে।
গণমাধ্যমে আগুন, আইনের শাসনে ছাই
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে মধ্যরাতে চালানো হামলা শুধু দুটি সংবাদপত্রের ওপর আক্রমণ নয় এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের ওপর সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা। স্বাধীনতার পর এই প্রথম এমন নজিরবিহীন হামলা প্রমাণ করে, ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আজ আর সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না বা দিতে চাইছে না।
১৬ মাসেও প্রকাশ হয়নি উপদেষ্টাদের আয়–সম্পদের হিসাব
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ১৬ মাস পেরিয়ে গেলেও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের আয় ও সম্পদের বিবরণী এখনো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে সরকারের সদিচ্ছা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে।
ফেব্রুয়ারির ৮ কিংবা ১৪ তারিখ নিয়ে গুঞ্জন, অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়ার প্রশ্নে বাড়ছে জাতীয় বিতর্ক
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তা–ঝুঁকির মধ্যেই নির্বাচন কমিশন (ইসি) ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা হতে পারে। মক ভোটিং পর্যবেক্ষণ করে কেন্দ্রসংখ্যা, কক্ষ, ব্যালটবক্স, মানবসম্পদ এসবই ‘রিয়েল টাইম অ্যাসেসমেন্ট’ করে ঠিক করা হবে।
নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আওতায় হচ্ছে না নির্বাচন
সম্প্রতি এক উপদেষ্টার মন্তব্য ও তার প্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে সেটাকে প্রত্যাখ্যান করে ব্যাখ্যা দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে পুরোনো প্রশ্নটি ফিরে এসেছে যে, নির্বাচন কে দেবে, আর কতটা নিরপেক্ষ হবে সেই আয়োজন?
পাতা 1 এর 1.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি