English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)
রাজনৈতিক সহিংসতা কিংবা মব সহিংসতায় হত্যার চেয়েও শিশু হত্যার ঘটনা বেশি
রাজনৈতিক সহিংসতা, মব জাস্টিস কিংবা কারা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দেশে নিয়মিত আলোচনা হলেও পরিসংখ্যান বলছে এসবের চেয়েও ভয়াবহ মাত্রায় ঘটছে শিশু হত্যাকাণ্ড। প্রতি বছর শত শত শিশু ধর্ষণ, অপহরণ ও নির্মম নির্যাতনের পর হত্যার শিকার হচ্ছে, যা বাংলাদেশে একটি গভীর মানবাধিকার সংকটের চিত্র তুলে ধরছে।
ইউনূস সরকারের অধীনে বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়েছে
মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে—এমন গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে একটি আন্তর্জাতিক অ্যাডভোকেসি সংস্থা। কানাডাভিত্তিক গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্স (জিসিডিজি) জানিয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে অন্তত ৮৫ জন বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন। তবে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন মানবাধিকার পর্যবেক্ষকেরা।
বিদায়ী বছরে মব সন্ত্রাস ও কারা হেফাজতে মৃত্যু বেড়েছে
২০২৫ সাল বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির জন্য এক অন্ধকার অধ্যায় হয়ে থাকবে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিদায়ী বছরে মব সন্ত্রাস, কারা হেফাজতে মৃত্যু, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং রাজনৈতিক সহিংসতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।
২০২৫ সালে ৩৮১ সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার, তিনজন নিহত
২০২৫ সালে দেশে সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আইনি হয়রানির ঘটনা উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক)। সংগঠনটির বাৎসরিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর অন্তত ৩৮১ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ সময় দুর্বৃত্তদের হামলায় তিনজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রহস্যজনকভাবে আরও চারজন সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
২০২৫ সালে মানবাধিকার পরিস্থিতি গভীর সংকটে, মব সন্ত্রাসে নিহত ১৯৭ জন
২০২৫ সালে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল অস্থির ও গভীরভাবে উদ্বেগজনক। আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক) প্রকাশিত বার্ষিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে মব সন্ত্রাস বা গণপিটুনির ঘটনায় কমপক্ষে ১৯৭ জন নিহত হয়েছেন, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল অন্তত ১২৮ জন যার অধিকাংশই আবার ৫ আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও হেফাজতে মৃত্যুর ‘মহোৎসব’ বাংলাদেশে
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি আবারও কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৬ মাসের দায়িত্বকালে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির দৃশ্যমান কোনো উন্নতি তো হয়নিই, ক্ষেত্র বিশেষে আরো অবনতি হয়েছে বলে অভিমত দিয়েছেন মানবাধিকারকর্মীরা।
১১ মাসে নিহত ৩১ জন, জবাবদিহিতার ভয়াবহ সংকট
দেশে আইন–শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার হেফাজতে মৃত্যু উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিভিন্ন বাহিনীর অভিযানে, কথিত বন্দুকযুদ্ধে, নির্যাতনে ও গুলিতে অন্তত ৩১ জন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছতার অভাবকে আরও স্পষ্ট করেছে।
পুলিশকে ‘দেখামাত্র গুলি’ নির্দেশে মানবাধিকারকর্মীদের তীব্র সমালোচনা
দেশে চলমান অস্থিরতার মধ্যে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পুলিশ কমিশনারদের ‘দেখামাত্র গুলি’ বা প্রয়োজন হলে গুলি চালানোর নির্দেশকে গভীর উদ্বেগ ও মানবাধিকারবিরোধী বলে আখ্যায়িত করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা। তাদের মতে, এই নির্দেশ সংবিধান, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের পরিপন্থি এবং বিচারবহির্ভূত সহিংসতাকে উৎসাহিত করে।
হয়রানি ঠেকাতে সরকার কতটা আন্তরিক?
দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা ও অন্যান্য অভিযোগে মামলা অব্যাহত রয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এসব মামলা অধিকাংশই হয়রানিমূলক এবং সংবাদকর্মীদের ভয়ভীতির মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে ‘পর্যবেক্ষণ কমিটি’ গঠন করা হলেও সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির মাত্রা তাতে খুব একটা কমেনি।
বাংলাদেশের ‘বিতর্কিত’ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োগে উদ্বিগ্ন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে নতুন সংশোধিত সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করছে—এমন অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও শান্তিপূর্ণ মতপ্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে এই আইন প্রয়োগের ঘটনা বেড়েছে।
পাতা 1 এর 2.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি