English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
৭ বৈশাখ ১৪৩৩
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া নিয়ে আসকের উদ্বেগ
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাতে ধানমন্ডিতে আত্মীয়ের বাসায় অবস্থানকালে সাবেক স্পিকার ডঃ শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলছে, মধ্যরাতে একজন নারীকে এভাবে আটক দেখানো যৌক্তিক নয়। দিনের বেলায় স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল কি না, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
জামিনপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পুনরায় গ্রেপ্তারের নির্দেশনা আইনের শাসনের পরিপন্থি
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা’ নেওয়া এবং জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’ বা অন্য মামলায় পুনরায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশনার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটি মনে করছে, এ ধরনের নির্দেশনা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যুর অভিযোগে উদ্বেগ
মাদারীপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক এক যুবকের মৃত্যু এবং রাজধানীর পল্লবীতে একজনকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানির অভিযোগে তীব্র উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটি ঘটনাদুটির সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
নির্বাচন ঘিরে সহিংসতায় গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে আসকের তীব্র উদ্বেগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই দেশের রাজনৈতিক মাঠ রূপ নিচ্ছে সংঘাত ও সহিংসতার অঙ্গনে। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলছে, জানুয়ারি মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। এক মাসেই সারাদেশে ৭৫টি সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন নিহত এবং ৬১৬ জন আহত হয়েছেন যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে সরাসরি প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
নির্বাচনী প্রচারণায় সহিংসতা: বাড়ছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। প্রচারণার শুরু থেকেই রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ, হামলা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। সর্বশেষ শেরপুরে জামায়াতের স্থানীয় নেতা মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকায় শিবিরের বিক্ষোভ, জামায়াত ও এনসিপির মিছিল এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক বক্তব্যে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে।
নির্বাচনে ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট চাওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনক
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রচারণায় ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট চাওয়ার প্রবণতা এবং ভিন্ন ধর্মচর্চাকারী নাগরিকদের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চাপ সৃষ্টির ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, সহিংসতা, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
ছাত্রলীগে নেতাকে স্ত্রী ও শিশুসন্তানের জানাজায় যেতে না দেওয়া মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে তার মৃত স্ত্রী ও নয় মাস বয়সী শিশুসন্তানের জানাজা ও দাফনে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এই ঘটনাকে সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের “সুস্পষ্ট লঙ্ঘন” হিসেবে অভিহিত করেছে। একই সঙ্গে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
রাজনৈতিক সহিংসতা কিংবা মব সহিংসতায় হত্যার চেয়েও শিশু হত্যার ঘটনা বেশি
রাজনৈতিক সহিংসতা, মব জাস্টিস কিংবা কারা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দেশে নিয়মিত আলোচনা হলেও পরিসংখ্যান বলছে এসবের চেয়েও ভয়াবহ মাত্রায় ঘটছে শিশু হত্যাকাণ্ড। প্রতি বছর শত শত শিশু ধর্ষণ, অপহরণ ও নির্মম নির্যাতনের পর হত্যার শিকার হচ্ছে, যা বাংলাদেশে একটি গভীর মানবাধিকার সংকটের চিত্র তুলে ধরছে।
ইউনূস সরকারের অধীনে বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়েছে
মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে—এমন গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে একটি আন্তর্জাতিক অ্যাডভোকেসি সংস্থা। কানাডাভিত্তিক গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্স (জিসিডিজি) জানিয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে অন্তত ৮৫ জন বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন। তবে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন মানবাধিকার পর্যবেক্ষকেরা।
বিদায়ী বছরে মব সন্ত্রাস ও কারা হেফাজতে মৃত্যু বেড়েছে
২০২৫ সাল বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির জন্য এক অন্ধকার অধ্যায় হয়ে থাকবে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিদায়ী বছরে মব সন্ত্রাস, কারা হেফাজতে মৃত্যু, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং রাজনৈতিক সহিংসতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।
পাতা 1 এর 3.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি