English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
৭ বৈশাখ ১৪৩৩
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
৩০ উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু রোববার
দেশজুড়ে হামের উদ্বেগজনক প্রাদুর্ভাবে গত ১৯ দিনে উপসর্গ নিয়ে ৯৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ৫ হাজার ৭৯২ জন। পরিস্থিতি ঘিরে অভিভাবকদের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক, যদিও সরকার বলছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রোববার থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি।
রাজশাহীতে নতুন করে এক শিশু ও টাঙ্গাইলে দুই শিশুর মৃত্যু
দেশের বিভিন্ন জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এরই মধ্যে রাজশাহী ও টাঙ্গাইলে নতুন করে শিশুমৃত্যুর ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। চিকিৎসকরা দ্রুত টিকাদান জোরদার এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
২ শিশুর মৃত্যু, দেড়শ ছাড়াল আক্রান্ত
রংপুর বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দেড়শ ছাড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
শয্যা তিন গুণ বাড়িয়েও চাপ সামলাতে পারছে না শিশু হাসপাতাল
রাজধানীতে হামের সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। শিশু হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ এতটাই বেড়েছে যে শয্যা তিন গুণ বাড়ানোর পরও তা সামলানো যাচ্ছে না। অভিভাবকরা গুরুতর অসুস্থ শিশু নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চিকিৎসা পাচ্ছেন না।
বেহাল দশা কাটেনি স্বাস্থ্য খাতে
রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন ফয়েজ উদ্দিন। মাসে আয় মাত্র ১৮ হাজার টাকা। তাঁর ছেলে শিহাব উদ্দিন ব্রেন টিউমারসহ জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অপারেশন, ওষুধ ও পথ্য মিলিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকার প্রয়োজন। এরই মধ্যে সঞ্চয়ের ২ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। ছেলেকে বাঁচাতে তিনি ৩ লাখ টাকা ঋণ করেছেন। কিন্তু জানেন না কীভাবে এ ঋণ শোধ করবেন।
বাজেট বাড়লেও সেবার মানে পিছিয়ে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত ক্রমেই এক গভীর আস্থার সংকটে পড়ছে। সরকারি বাজেট বৃদ্ধি, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং বাজার সম্প্রসারণ সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা এখনো অধরা। ফলে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক রোগী উন্নত চিকিৎসার আশায় বিদেশে যাচ্ছেন। ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বছরে প্রায় ৫ লাখ বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। এতে দেশ থেকে প্রায় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা বেরিয়ে যাচ্ছে।
ডেঙ্গুতে সংক্রমণ ও মৃত্যু আবারও ঊর্ধ্বমুখী
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ নভেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৯১ হাজার ৬০২ জন, এবং প্রাণ হারিয়েছেন ৩৬৭ জন। ২৬ নভেম্বর প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদনে আরও তিনজনের মৃত্যুসহ মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭০ জন। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬১৫ জন রোগী।
কাগজে সেবা, বাস্তবে লুটপাট, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দুর্নীতিতে বিপর্যস্ত
স্বাস্থ্য খাত যে কোনো জাতির মানবিক অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নীরব এক ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কাগজে-কলমে বাজেট বাড়ছে, আধুনিক প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে, যন্ত্রপাতি কেনার অঙ্গীকার শোনা যায় তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা তার পুরো বিপরীত। কাগজে সেবা, বাস্তবে লুটপাট; এটাই যেন আজকের স্বাস্থ্যখাতের সবচেয়ে নির্মম সত্য। এবং এর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দুর্বল, অস্বচ্ছ ও জবাবদিহিহীন প্রশাসনিক কাঠামো।
নভেম্বরেও ডেঙ্গুর আগ্রাসী প্রকোপ
বাংলাদেশে মৌসুম শেষ হলেও ডেঙ্গুজ্বরের ভয়াবহতা কমছে না। নভেম্বরের প্রথম ১৫ দিনেই এডিস মশার কামড়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৩ জন, আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন প্রায় ১৪ হাজার মানুষ। রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে।
ডেঙ্গুতে মৃত্যু মিছিল: মহামারি নাকি অবহেলা?
বাংলাদেশে এডিস মশার বিস্তার ও ডেঙ্গুর প্রকোপ এখন সারা বছরজুড়ে। একসময় মৌসুমি রোগ হিসেবে পরিচিত ডেঙ্গু এখন বারোমাসি আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে ডেঙ্গুতে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এক মাসে সর্বোচ্চ। সেপ্টেম্বরে ৭৬ জন, জুলাইয়ে ৪১ জন এবং আগস্টে ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই মারা গেছেন অন্তত ২০ জন। এই পরিস্থিতিকে অনেকেই ‘মহামারি’ বললেও সরকারিভাবে তা ঘোষণা করা হয়নি।
পাতা 1 এর 2.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি