English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
২১ ফাল্গুন ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
ঋণ
আগের ঋণের চাপ কীভাবে সামাল দেবে বিএনপি সরকার?
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রায় চার দশকের মধ্যে এই প্রথম সরকারকে নিয়মিত পরিচালন ব্যয় মেটাতেই ঋণ নিতে হয়েছে। অর্থাৎ বেতন-ভাতা, সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি ও দৈনন্দিন প্রশাসনিক খরচ চালাতে রাজস্ব আয় যথেষ্ট হয়নি। উন্নয়ন ব্যয় তো দূরের কথা, রাষ্ট্রের নিয়মিত চাকা সচল রাখতেই ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।
২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে যাত্রা শুরু বিএনপি সরকারের
রাজনৈতিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন সরকারের কাঁধে উঠছে ২৩ লাখ কোটি টাকারও বেশি সরকারি ঋণের ভার যার বড় অংশই সঞ্চিত হয়েছে শেষ ১৯ মাসে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে উচ্চ ঋণনির্ভরতা, সুদহার চাপ, বিনিয়োগ স্থবিরতা ও রাজস্ব ঘাটতির বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
উন্নয়নে নজর নেই, তবু হুহু করে বাড়ছে বিদেশি ঋণ
বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় কম হলেও বিদেশি ঋণ দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। বাজেট ঘাটতি পূরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় সরকার প্রকল্প ঋণের পরিবর্তে দ্রুত ছাড়যোগ্য বাজেট সহায়তা ঋণের ওপর নির্ভর করছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে টাকার অবমূল্যায়ন। ফলে মাত্র তিন বছরে বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
ইউনূস সরকারের শেষ ১৫ মাসেই ঋণ বেড়েছে ২.৬০ লাখ কোটি টাকা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রায় ১৫ মাসে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে সরকারের মোট ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। বাজেট বাস্তবায়ন, ঘাটতি মেটানো এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপে ধারাবাহিক ঋণগ্রহণের ফলে এই ঋণভার দ্রুত বেড়েছে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। সম্প্রতি চূড়ান্ত করা পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঋণ পরিশোধ চললেও নতুন ঋণের গতি থামছে না।
২০২৪-২৫ অর্থবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহণের বছর
২০২৪-২৫ অর্থবছর বাংলাদেশের সরকারি ঋণ ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন অধ্যায় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই এক অর্থবছরেই দেশী ও বিদেশী উৎস থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা যা একক বছরে ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর ফলে দেশের মোট সরকারি ঋণের স্থিতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৫০ হাজার ৯০৪ কোটি টাকায়।
বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক তৎপরতা
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) বাংলাদেশের জন্য আগামী দুই বছরে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকি হিসেবে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক তৎপরতাকে চিহ্নিত করেছে। সংস্থাটির প্রকাশিত গ্লোবাল রিস্কস রিপোর্ট ২০২৬-এ বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য এই ঝুঁকিই সবচেয়ে গুরুতর হবে।
শিল্প-বিনিয়োগে স্থবিরতা, সরকার ধারদেনায়
বাংলাদেশের অর্থনীতি গত দেড় বছর ধরে এক অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা, ঋণ প্রবাহ হ্রাস এবং আমদানি-রপ্তানিতে স্থবিরতা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সমানভাবে চাপে ফেলেছে। শিল্প-বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারের দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতিও অস্পষ্ট।
ঋণ প্রবৃদ্ধি ও রপ্তানি কমছে, নাজুক হচ্ছে অর্থনীতি
বাংলাদেশের অর্থনীতি একাধিক সংকটে জর্জরিত। বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি, নতুন এলসি খোলা এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি—সব সূচকই নিম্নমুখী। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘায়িত মূল্যস্ফীতি, গ্যাস সংকট ও ডলারের তারল্য সমস্যা। ইতিমধ্যে সাড়ে তিন শতাধিক ছোট ও মাঝারি কারখানা বন্ধ হয়ে স্থানীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে।
নাজুক আর্থিক ব্যবস্থাপনায় চলতি ব্যয় মেটাতেও ঋণের ওপর নির্ভরশীল
তীব্র অর্থ সংকটে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাজস্ব আদায় কমে যাওয়া, বিগত সরকারের নেওয়া দেশি-বিদেশি ঋণের কিস্তি ও সুদপরিশোধের চাপ এবং দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাব—এ তিন কারণে রাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নাজুক হয়ে উঠেছে। ফলে সরকারের পরিকল্পিত চলতি খরচও মেটাতে হচ্ছে ঋণ নিয়ে। দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে কৃচ্ছসাধনের নীতি নিলেও অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের ঋণ বাড়ছে। বিপরীতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও মন্থর হয়ে পড়েছে।
পাতা 1 এর 1.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি