English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
২১ ফাল্গুন ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
সংকট
চরম অস্থিরতা ও সিদ্ধান্তহীনতায় চিহ্নিত ইউনূসের ৫৫৯ দিনের প্রশাসন
২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি টানা ৫৫৯ দিন দায়িত্ব পালনের পর বিদায় নিয়েছে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস–এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সময়কালটি ছিল রাজনৈতিক রূপান্তরের এক সংবেদনশীল অধ্যায়। কিন্তু প্রশাসনিক বাস্তবতায় এই সময়কে অনেকেই দেখছেন নজিরবিহীন অস্থিরতা, সিদ্ধান্তহীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার এক দীর্ঘ পর্ব হিসেবে।
আফনানের মৃত্যুতে প্রশ্নবিদ্ধ ইউনূস সরকারের সীমান্ত ও নিরাপত্তা নীতি
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর যে “নতুন বাংলাদেশ”-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তা ক্রমেই এক অনিরাপদ, অগোছালো ও জবাবদিহিহীন শাসনে রূপ নিয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা থাকলেও ক্ষমতার ভেতরে নতুন নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে; প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো অস্পষ্ট, জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নে সিদ্ধান্তহীনতা প্রকট, আর কূটনীতিতে দৃঢ়তার বদলে আপসকামিতা দৃশ্যমান।
বই বিতরণে বিশৃঙ্খলা, নীতিতে স্থবিরতা, নেতৃত্বহীনতায় গভীর সংকট
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষা খাতে প্রত্যাশিত সংস্কার বা স্থিতিশীলতা তো আসেনিই, বরং প্রশাসনিক ব্যর্থতা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং নেতৃত্বের শূন্যতায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। রুটিন কাজেও ব্যর্থতার নজির তৈরি হয়েছে, যার সবচেয়ে দৃশ্যমান উদাহরণ সময়মতো বিনা মূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ করতে না পারা।
আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে সংকটে বাংলাদেশ ক্রিকেট
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে সরাসরি সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ নতুন নয়। তবে সেই হস্তক্ষেপকে সামাল না দিয়ে বরং ধারাবাহিক ভুল সিদ্ধান্তে ক্রিকেট প্রশাসনকে আরও গভীর সংকটে ফেলেছেন বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল—এমন অভিযোগ এখন বিসিবির ভেতর-বাইরের সংগঠকদের কণ্ঠে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
বিশ্বকাপ বয়কট করলে কী কী বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত শুধু একটি টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানো নয়; এটি বাংলাদেশের ক্রিকেট ভবিষ্যৎকে দীর্ঘমেয়াদে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিতে পারে। সরকার ও বিসিবির দাবি, বাংলাদেশ না খেললে বিশ্বকাপ ২০ কোটি দর্শক হারাবে। কিন্তু বাস্তবে এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বড় ক্ষতির ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট নিজেই।
অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তায় শিক্ষা খাত
২০২৫ সালজুড়ে শিক্ষা খাত কাটিয়েছে একের পর এক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নানা দাবিতে আন্দোলন, শিক্ষা সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অনুপস্থিতি, শেখার ঘাটতি—সব মিলিয়ে বছরটি ছিল খাতটির জন্য আরেকটি অস্থির অধ্যায়।
মার্চের আগে মাধ্যমিকের ৭০ লাখ শিক্ষার্থী বই পাবে না
নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে বাকি মাত্র ১০ দিন। তবে মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৭০ লাখ শিক্ষার্থী মার্চের আগে বই পাওয়ার বিষয়ে শঙ্কায় রয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) তথ্য অনুযায়ী, এই শিক্ষাবর্ষের জন্য ২১ কোটি পাঠ্যবইয়ের মধ্যে মাত্র ৫ কোটি বইই উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ হয়েছে।
বাংলাদেশ মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে
স্বাধীনতার রক্তাক্ত জন্ম থেকে আজকের বাস্তবতায় বাংলাদেশ যেন এক গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত। শ্রীলঙ্কা গার্ডিয়া-এ প্রকাশিত বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দেশটি এখন আর কেবল শাসন সংকটে নয় বরং রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও জাতীয় উদ্দেশ্যের পতনে দাঁড়িয়ে আছে।
উন্নয়ন হচ্ছে প্রশাসকের বাড়ির সামনের সড়ক
রাজধানীর মাঠ-পার্ক ও গণপরিসরগুলো দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনা, দখল ও অবহেলায় জর্জরিত। মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের পেছনের পার্ক কিংবা বারিধারা জে ব্লক পার্ক—সবই এখন বেদখল বা অযত্নে পড়ে আছে। অথচ ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের পশ্চিম আগারগাঁওয়ের বাড়ির সামনে দ্রুতগতিতে নির্মাণ হচ্ছে পার্ক, লাইব্রেরি ও সংযোগ সড়ক।
সাংস্কৃতিক সংকট নাকি নিরাপত্তা ব্যর্থতা?
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের মেধা বিকাশ, সৃজনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতির অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে আসছে। সংগীত, নাটক, চলচ্চিত্র কিংবা কনসার্ট—সবই তরুণদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক কনসার্ট বাতিল হওয়া শুধু বিনোদনের ঘাটতি নয়, বরং একটি গভীর সংকটের ইঙ্গিত বহন করছে।
পাতা 1 এর 5.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি