English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
২১ ফাল্গুন ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
আন্দোলন
যত কান্ড কাঠমান্ডুতে
‘এখন, স্মরণ করুন নেপাল কোথায় অবস্থিত- ভারত ও চীনের ভেতর। মাত্র এক সপ্তাহ আগে, নয়া দিল্লি এবং বেইজিং পুনর্মিলিত হয়েছে এবং পরষ্পর কাছে এসেছে। এবং হুট করেই, নেপালে দাঙ্গা শুরু হলো। খাঁটি ইউক্রেনীয় পদ্ধতিতে অভ্যুত্থান যাকে বলে! জনতা হামলা করছে সংসদে, পুলিশ জলকামান ও রাবার বুলেট দিয়ে প্রত্যুত্তর দিচ্ছে। এবং কীভাবে কীভাবে আমরা এর ভেতরেই এত হতাহতের সংখ্যা জানছি।’
আস্থাহীন নেপাল: ১৭ বছরে ১৩ সরকার, কোন পথে দেশটি?
গত ১৭ বছরে গণতন্ত্রের ব্যর্থতা, সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রচেষ্টা এবং একের পর এক সরকারের পতনে হতাশ নেপালবাসী। প্রশ্ন একটাই—আসলে কোন পথে যাবে নেপাল? আবার কি রাজতন্ত্র ফিরবে, নাকি গণতন্ত্রই কোনোদিন দৃঢ়ভাবে শেকড় গেড়ে বসবে এই পাহাড়ি দেশে?
বাংলাদেশ কি ব্যর্থতার পথে হাঁটছে?
২০১১ সালের তিউনিসিয়ার ‘জেসমিন বিপ্লব’ একসময় গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে উদযাপিত হয়েছিল। কিন্তু এক দশকের ব্যবধানে সেই বিপ্লব আজ ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। দুর্বল রাষ্ট্রক্ষমতা, অলিগার্কদের দখলদারিত্ব, রাজনৈতিক অনৈক্য এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের অভাবে তিউনিসিয়া ঘুরপাক খাচ্ছে হতাশার চক্রে। বাংলাদেশে ২০২৪ সালের সরকার পতন পরবর্তী বাস্তবতায় এই বিপ্লবের সঙ্গে অস্বস্তিকর মিল ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
নেপালে সরকার পতনের পর নৈরাজ্য, আতঙ্ক; অন্তর্বর্তী সরকারের পথে দেশ
প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পর নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জনরোষের মধ্যে চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাজধানী কাঠমান্ডু ও আশপাশের এলাকায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, ধ্বংসযজ্ঞ এবং কারাগার বিদ্রোহে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সেনাবাহিনী কঠোর অবস্থানে গিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কারফিউ জারি করেছে এবং নতুন সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত শাসনভার নিজেদের হাতে রেখেছে।
« প্রথম
আগের
পাতা 5 এর 5.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি