English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
বছর শেষে বাংলাদেশ ২০২৫
অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তায় শিক্ষা খাত
২০২৫ সালজুড়ে শিক্ষা খাত কাটিয়েছে একের পর এক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নানা দাবিতে আন্দোলন, শিক্ষা সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অনুপস্থিতি, শেখার ঘাটতি—সব মিলিয়ে বছরটি ছিল খাতটির জন্য আরেকটি অস্থির অধ্যায়।
শিল্পচর্চায় বাধা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর ক্ষত
২০২৫ সাল বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য একটি অস্থির ও উদ্বেগজনক বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। বাউল সম্প্রদায় থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক সংগঠন, গণসংগঠন এবং স্বাধীন শিল্পচর্চা—সব ক্ষেত্রেই বছরজুড়ে বাধা, হামলা ও হস্তক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় সংস্কৃতির বহমান ধারায় গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে।
বিদায়ী বছরে মব সন্ত্রাস ও কারা হেফাজতে মৃত্যু বেড়েছে
২০২৫ সাল বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির জন্য এক অন্ধকার অধ্যায় হয়ে থাকবে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিদায়ী বছরে মব সন্ত্রাস, কারা হেফাজতে মৃত্যু, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং রাজনৈতিক সহিংসতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।
সংস্কৃতির ওপর চাপ, সহনশীলতার ভাঙন ও রাষ্ট্রের নীরব পরীক্ষা
২০২৫ সালজুড়ে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিসরে একের পর এক ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়ে সহনশীলতা ও রাষ্ট্রের দায়। জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রতিবেদনে উঠে আসে—মাজার ভাঙচুর, প্রতিমা ধ্বংস, বাউলদের ওপর হামলা, সংগীতানুষ্ঠান ও কনসার্ট বাতিল এবং শিক্ষাব্যবস্থায় সংগীত শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিরোধ। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবারই কঠোর অবস্থানের কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ে তার বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্ক রয়ে গেছে।
সহিংস-সংস্কৃতি ও নীরবতার রাজনীতি
২০২৫ সাল বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য ছিল এক অস্বস্তিকর সময়। এই বছরটি যেমন শিল্প–সৃজনের কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে, তেমনি একই সঙ্গে উন্মোচিত করেছে একটি গভীর সংকট। যেখানে সংস্কৃতি, মতপ্রকাশ ও বহুত্ববাদ ক্রমেই অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। বছর শেষে ফিরে তাকালে স্পষ্ট হয় এটি কেবল শিল্পের হিসাব নয়; এটি রাষ্ট্র, সমাজ ও নৈতিক অবস্থানের এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার বছর।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র : আশা, অর্জন ও প্রশ্নের বছর
২০২৫ সালে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে একাধিক ইতিবাচক খবর আলোচনায় আসে। ‘দেলুপি’, ‘রইদ’ ও ‘মাস্টার’-এই তিনটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ইউরোপের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নেয়। বিষয়বস্তু ও নির্মাণভাষার কারণে সিনেমাগুলো সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সিনেমার উপস্থিতি নতুন করে দৃশ্যমান হয়। এটি প্রমাণ করে যে স্বল্প বাজেট ও সীমিত অবকাঠামোর মধ্যেও বাংলাদেশের নির্মাতারা বিশ্বমানের চলচ্চিত্রভাষা আয়ত্ত করতে সক্ষম হচ্ছেন।
ধর্ষণ বেড়েছে দ্বিগুণ হারে
বিদায়ী বছরটি ছিল নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের জন্য ভয়াবহ। ২০২৫ সালে ধর্ষণ ও পারিবারিক সহিংসতার মাত্রা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ষণের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছে কন্যাশিশুরা। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যথাযথ নজরদারির অভাবেই এ ধরনের ঘটনা বেড়েছে। অপরাধীরা এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, তারা নারী ও শিশু কাউকেই রেহাই দেয়নি। অনেক ক্ষেত্রে ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভিকটিমকে হত্যা করা হয়েছে।
সংস্কৃতির ওপর কালো ছায়া
২০২৫ সাল বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য ছিল একদিকে শোকের, অন্যদিকে সহিংসতার বছর। একাধিক গুণী শিল্পী ও অভিনেতা প্রয়াত হয়েছেন, পাশাপাশি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমে ভয়াবহ মব আক্রমণ ঘটেছে। বছর শেষে ফিরে তাকালে দেখা যায়, আনন্দের চেয়ে বেদনার পাল্লাই ভারী।
পাতা 1 এর 1.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি