English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
২১ ফাল্গুন ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
সংস্কার
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে এমপিদের ‘দ্বিতীয় শপথ’
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্য হিসেবে এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ-এর সদস্য হিসেবে একসঙ্গে দুটি শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্তের আইনি ও সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্বিতীয় শপথের কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই।
জুলাই সনদ সম্পর্কে জানে না ৭৭% মানুষ, না বুঝেই গণভোটের পথে দেশ
বহুল আলোচিত জুলাই জাতীয় সনদকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের প্রক্রিয়া এগোলেও এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষেরই পরিষ্কার ধারণা নেই। একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদে কী আছে তা জানেন না। অর্থাৎ, যেই সনদের ওপর ভিত্তি করে আসন্ন গণভোট ও সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটি সম্পর্কে জনগণের বড় অংশই অন্ধকারে রয়েছে।
গণপরিষদ, সংবিধান সংস্কার ও ‘১৮০ কার্যদিবস’ নিয়ে বিভ্রান্তি
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বাস্তবতা সামনে এসেছে। ভোটে জয়লাভ করলেই সরাসরি সরকার গঠন নয়, বরং প্রথমে গঠিত হবে একটি ‘গণপরিষদ’ বা ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’। এই কাঠামোর মাধ্যমে নতুন সংবিধান প্রণয়ন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি এবং অন্তর্বর্তী সময়ে নেওয়া বিচার ও আইনি সিদ্ধান্তগুলোর বৈধতা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
শেষ মুহুর্তে গোঁজামিলের বিতর্কিত প্রকল্প নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার
অন্তর্বর্তী সরকার মেয়াদের শেষ সময়ে এসে একাধিক বিতর্কিত প্রকল্প ও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা নিয়ে ইতোমধ্যেই নানা মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের সঙ্গে বর্তমান সরকারের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও এগুলো বাস্তবায়নের দায় ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দুদক সংস্কারে অন্তত সাত উপদেষ্টার আপত্তি: ড. ইফতেখারুজ্জামান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কারের প্রস্তাব বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের অন্তত সাতজন সদস্য প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছেন। তিনি এটিকে “অত্যন্ত আশাহত করার মতো ঘটনা” বলে মন্তব্য করেছেন।
রাষ্ট্র যখন ‘হ্যাঁ’ ক্যাম্পেইনার: নিরপেক্ষতার কবরের ওপর গণভোট
অবশেষে গণভোটে সরকারি কর্মকর্তারা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে, যা গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ২১ ধারা এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর ৮৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
মাহফুজ আলমদের খুশি করতে গণভোট কিনা, ‘সন্দেহ’ রেহমান সোবহানের
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে প্রস্তাবিত গণভোট নিয়ে গভীর সন্দেহ ও সমালোচনা করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান। তাঁর প্রশ্ন— সরকার কি সত্যিই রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য গণভোট আয়োজন করছে, নাকি উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও তাঁর সহকর্মীদের “খুশি করতেই” এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে?
জালিয়াতিতে বাংলাদেশ ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’, সরকারি কর্মকর্তাদের ৫ বছরের বেশি চাকরি নয়
পাসপোর্ট ও ভিসা জালিয়াতিতে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “আমাদের প্রায় সব কিছুই জাল। বহু দেশ বাংলাদেশের পাসপোর্ট গ্রহণ করে না। ভিসা জাল, পাসপোর্ট জাল—আমরা পুরো দেশকে যেন জালিয়াতির কারখানায় পরিণত করেছি।”
‘হ্যাঁ’ ভোট দিলেই পরিবর্তন আসবে—এমন দাবি বিভ্রান্তিকর ও অসৎ: আসিফ সালেহ
আসন্ন গণভোটে এক প্রশ্নে ৮৪টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের অনুমোদন নেওয়ার উদ্যোগকে “বিভ্রান্তিকর ও অসৎ” বলে আখ্যা দিয়েছেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ। তাঁর মতে, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলেই দেশে পরিবর্তন আসবে—এমন দাবি জনগণকে ভুল বোঝানোর শামিল।
সিভিল সার্ভিসে সংস্কারের উদ্যোগ সত্ত্বেও দুর্নীতি কমেনি
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিস সংস্কারে অন্তত ২০ বার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে কমিশন ও টাস্কফোর্স গঠন করে নিয়োগ, পদোন্নতি, বেতন কাঠামো এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব উদ্যোগের বড় অংশ বাস্তবায়ন হয়নি। শুধু বেতন কাঠামো নিয়মিতভাবে পরিবর্তন করা হলেও সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতি কমেনি।
পাতা 1 এর 5.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি