English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
৭ বৈশাখ ১৪৩৩
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
জ্বালানি
আওয়ামী লীগের করা হাজার কোটি টাকার পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে সরকার
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বহুল আলোচিত ‘সিঙ্গেল পয়েন্ট ম্যুরিং’ (এসপিএম) প্রকল্প যার লক্ষ্য ছিল সাগর থেকে সরাসরি পাইপলাইনে তেল খালাস ও দ্রুত পরিবহন, দুই বছর ধরে প্রায় অচল অবস্থায় পড়ে আছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আট হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই বিশাল অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও কেবল অপারেটর নিয়োগের জটিলতায় তা চালু করা যায়নি। ফলে একদিকে যেমন রাষ্ট্র হারাচ্ছে বছরে সম্ভাব্য শত শত কোটি টাকার সাশ্রয়, অন্যদিকে তেল সংকটের সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুবিধাও হাতছাড়া হচ্ছে।
সরকারি দরে লম্বা লাফ তবুও এলপিজির দাম আকাশছোঁয়া
সরকার নির্ধারিত নতুন দরে এলপিজি বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাসের দাম সরকার নির্ধারিত ১,৭২৮ টাকার পরিবর্তে ২,১০০ থেকে ২,২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে সাধারণ ভোক্তারা পড়েছেন বাড়তি খরচের চাপে।
উৎপাদন থাকা সত্ত্বেও কেন দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি?
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল ও অকটেন সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন, সীমিত সরবরাহ এবং কোথাও কোথাও পাম্প বন্ধ থাকার ঘটনায় জনজীবনে চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। অথচ দেশে নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেন এই সংকট তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চরম ভোগান্তি
ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তবে এ সময় পাবনায় দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট, যা জনজীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের সংকট, দীর্ঘ যানবাহনের সারি এবং গণপরিবহন স্বল্পতায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ঢাকামুখী যাত্রীরা।
ভারত থেকে পাইপলাইনে এলো আরও ৫ হাজার টন ডিজেল
ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাতে ভারতের আসাম রাজ্যের নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে সরাসরি দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে এই জ্বালানি পৌঁছায়।
সংকটে দেশের জন্য কার্যকর প্রমাণিত শেখ হাসিনার উদ্যোগ
দেশের জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে আবারও কার্যকর হিসেবে সামনে এসেছে বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইন প্রকল্প, যা একসময় তীব্র সমালোচনা ও গুজবের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। অথচ বাস্তবতা বলছে, আজ সেই পাইপলাইনই দেশের উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে অর্থনীতি, কৃষি ও পরিবহন খাত সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বিকল্প উৎসের খোঁজে মরিয়া সরকার
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ফিলিং স্টেশনে প্রতিদিনই জ্বালানি নিতে দীর্ঘ লাইন। প্রতিদিনই বাকবিতণ্ডা এবং বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সরকার বলছে, আপাতত জ্বালানি সংকট নেই, তবে মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটছে না। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশও চাপের মুখে পড়েছে।
যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ঘাটতি, তেল সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন
দেশের বিভিন্ন জেলায় জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চালকরা তেল পাচ্ছেন না। কোথাও ‘তেল নাই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলছে, আবার কোথাও সীমিত পরিসরে বিক্রি হচ্ছে। এতে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও নৌযান চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
তীব্র সংঘাত ও বাজার অস্থিরতার সুযোগ পাচ্ছে মার্কিন জ্বালানি কোম্পানি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে আবারও অস্থির করে তুলেছে। যুদ্ধের ফলে একদিকে লাখ লাখ মানুষের জীবন ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে তেল ও গ্যাসের আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে। এই অস্থিরতার মধ্যেই কিছু জ্বালানি কোম্পানি অপ্রত্যাশিতভাবে বড় ধরনের মুনাফার সুযোগ পাচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধা পাচ্ছে।
১৮ মাস ধরে বিদ্যুৎ খাতে সময়ক্ষেপণ ও স্থবিরতা
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেড় বছর পার করে আজ বিদায় নিলো। এসময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। দ্বিতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা ভেস্তে যায়। এ সময়ে সরকার মূলত বকেয়া পরিশোধ ও ব্যয় সাশ্রয়ের দিকে মনোযোগ দিয়েছে।
পাতা 1 এর 3.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি