English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
৭ বৈশাখ ১৪৩৩
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
“শেখ মুজিব ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অসম্ভব”: মুক্তিযোদ্ধা কাজী আশরাফ হুমায়ুন বাঙ্গাল
মুক্তিযোদ্ধা কাজী আশরাফ হুমায়ুন বাঙ্গাল বলেছেন, “শেখ মুজিব ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্ভব নয়, এটাই সত্য।” স্বাধীনতা দিবসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংকলন রক্তরেখায় বাংলাদেশ এর তৃতীয় খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে এ মন্তব্য করেন।
ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নে পাকিস্তানের দীর্ঘ নীরবতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ১৯৭১ সাল এক গভীর রক্তাক্ত অধ্যায়। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ, লাখো মানুষের প্রাণহানি এবং ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। কিন্তু স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা আজও অধরা যা দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম অমীমাংসিত প্রশ্ন হয়ে আছে।
কালরাত্রির সাক্ষী ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের সেই বাড়ি
ঢাকার ধানমন্ডির একটি ঠিকানা ৩২ নম্বর। এটি কি শুধু একটি বাড়ি, নাকি একটি জাতির ইতিহাসের রক্তাক্ত স্মৃতি? একাত্তরের কালরাত্রি থেকে আজকের অগ্নিদগ্ধ ধ্বংসস্তূপ, এই বাড়িটি যেন সময়ের এক নির্মম সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
রক্তে লেখা স্বাধীনতার শপথ, এগিয়ে চলার অঙ্গীকার
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস ২৬শে মার্চ। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পরে যে বিজয় এসেছিল ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর, তার শুরুটা হয়েছিল এই দিনেই। একটি জাতির স্বাধীনভাবে নিঃশ্বাস নেওয়ার গোড়াপত্তন হয়েছিল এই দিনে। তাই প্রতি বছর মার্চ মাসের ২৬ তারিখ আমাদের জন্য স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ডাক দিয়েছিলেন।
গণহত্যার সেই রাত: অন্ধকার ভেদ করে স্বাধীনতার সূর্যোদয়
আমাদের স্বাধীনতার পূর্বরাত ২৫ মার্চ। এটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি স্মরণীয় দিন। এক ভয়াল নিষ্ঠুরতার স্মৃতি হিসেবে চিহ্নিত। এর পর পরই ঘোষিত হয় আমাদের স্বাধীনতা। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী একাত্তরের ২৫ মার্চে পরিকল্পিত পন্থায় নেমেছিল বাঙালি হত্যার মহোৎসবে, নেমেছিল রক্তের স্রোতে বাঙালির সব স্বপ্নকে ভাসিয়ে দিতে।
২৫ মার্চ রাতে সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাকআউট
১৯৭১ সালের ভয়াল ২৫ মার্চের নির্মম গণহত্যা স্মরণে সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাকআউট’ কর্মসূচি পালন করা হবে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সোমবার (২৩ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
একাত্তরে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যার স্বীকৃতি চেয়ে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ১৯৭১ সালে সংঘটিত নৃশংসতাকে আন্তর্জাতিকভাবে ‘গণহত্যা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে। গত ২০ মার্চ কংগ্রেস সদস্য গ্রেগ ল্যান্ডসম্যান প্রতিনিধি পরিষদে এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করেন। বর্তমানে এটি বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটিতে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে।
পাকিস্তান দিবস হয়ে উঠলো প্রতিরোধ দিবস
২৩ মার্চ, যা দীর্ঘদিন ধরে ‘পাকিস্তান দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল, ১৯৭১ সালে সেদিনই বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে এক নতুন তাৎপর্য নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে। অসহযোগ আন্দোলনের উত্তাল প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে এদিনটি পাকিস্তানি রাষ্ট্রব্যবস্থার আনুগত্যের পরিবর্তে বাঙালির প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠে।
অসহযোগ আন্দোলনের পঞ্চম দিনে পাড়ায় পাড়ায় মহিলা সংগ্রাম পরিষদ গঠনের আহ্বান
১৯৭১ সালের ১২ মার্চ ছিল ঐতিহাসিক অসহযোগ আন্দোলনের পঞ্চম দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সেদিনও সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চলতে থাকে। পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির গণআন্দোলন তখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যা বিশ্বের নজর কাড়ে।
১ মার্চের জাতীয় পরিষদের স্থগিতাদেশ থেকে স্বাধীনতার পথে উত্তাল জনতা
অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও মার্চ মাস এলেই বাঙালির চেতনায় নতুন আলোড়ন জাগে। এই মাস শুধু ক্যালেন্ডারের একটি অধ্যায় নয়—এটি সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। মহান স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে দেশজুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে নানা কর্মসূচি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে জাতীয় পতাকার রঙে সেজে উঠবে প্রাঙ্গণ।
পাতা 1 এর 2.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি