English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
৮ বৈশাখ ১৪৩৩
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
সরকারি ব্যয়
৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ১৩০ কোটি ডলার
দেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ তিন মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে দেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬৫ উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় বেড়েছে ৭৯ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা
দেড় বছরের মেয়াদে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ৬৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ৭৯ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে যা অনেক অর্থনীতিবিদের মতে ‘অপচয়ী’ ও প্রশ্নবিদ্ধ পুনর্মূল্যায়নের ফল। প্রকল্পগুলোর প্রাথমিক সম্মিলিত ব্যয় ছিল ২ লক্ষ ২৪ হাজার কোটি টাকা; সংশোধনের পর ৩৫.৬৭ শতাংশ বেড়ে ব্যয় দাঁড়ায় ৩ লক্ষ ৪ হাজার কোটি টাকা।
উন্নয়নে নজর নেই, তবু হুহু করে বাড়ছে বিদেশি ঋণ
বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় কম হলেও বিদেশি ঋণ দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। বাজেট ঘাটতি পূরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় সরকার প্রকল্প ঋণের পরিবর্তে দ্রুত ছাড়যোগ্য বাজেট সহায়তা ঋণের ওপর নির্ভর করছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে টাকার অবমূল্যায়ন। ফলে মাত্র তিন বছরে বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
শেষ মুহুর্তে গোঁজামিলের বিতর্কিত প্রকল্প নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার
অন্তর্বর্তী সরকার মেয়াদের শেষ সময়ে এসে একাধিক বিতর্কিত প্রকল্প ও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা নিয়ে ইতোমধ্যেই নানা মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের সঙ্গে বর্তমান সরকারের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও এগুলো বাস্তবায়নের দায় ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি একের পর এক সিদ্ধান্ত
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের দিকে এসে একের পর এক দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি, বড় ব্যয় অনুমোদন ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এসব সিদ্ধান্ত পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য বড় আর্থিক ও রাজনৈতিক দায় তৈরি করবে যার দায়ভার বহনের ক্ষেত্রে তাদের কোনো ভূমিকা থাকছে না।
ব্যয়সাশ্রয়ী নীতির ঘোষণা দিয়ে উল্টো পথে অন্তর্বর্তী সরকার
সরকারি ব্যয়ে লাগাম টেনে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানোই ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্যয়সাশ্রয়ী নানা পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে পরিচালন খাতে ব্যয় কমার বদলে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এর ফল হিসেবে গত অর্থবছরে প্রথমবারের মতো সরকারের পরিচালন ব্যয় মোট রাজস্ব আয়ের চেয়েও বেশি হয়েছে।
পাতা 1 এর 1.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি