English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
৭ বৈশাখ ১৪৩৩
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
বেসরকারি খাত
৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ১৩০ কোটি ডলার
দেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ তিন মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে দেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আগের ঋণের চাপ কীভাবে সামাল দেবে বিএনপি সরকার?
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রায় চার দশকের মধ্যে এই প্রথম সরকারকে নিয়মিত পরিচালন ব্যয় মেটাতেই ঋণ নিতে হয়েছে। অর্থাৎ বেতন-ভাতা, সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি ও দৈনন্দিন প্রশাসনিক খরচ চালাতে রাজস্ব আয় যথেষ্ট হয়নি। উন্নয়ন ব্যয় তো দূরের কথা, রাষ্ট্রের নিয়মিত চাকা সচল রাখতেই ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।
কমতে কমতে তলানিতে বিদেশি বিনিয়োগ
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে নানা উদ্যোগ নেয়। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় আশিক চৌধুরীকে। ঢাকায় আয়োজন করা হয় বিনিয়োগ সম্মেলন, প্রধান উপদেষ্টা বিভিন্ন দেশ সফরে গিয়ে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। কিন্তু বাস্তবে বিদেশি বিনিয়োগের চিত্র আশানুরূপ হয়নি।
দোসর খোঁজার নামে বিপর্যস্ত বেসরকারি খাত
২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগের পতনের পর সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে দেশের বেসরকারি খাত। বড় শিল্পগোষ্ঠী থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা—সবাই এখন আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, ‘দোসর খোঁজার’ নামে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার করা হচ্ছে বহু শিল্প মালিক ও ব্যবসায়ীকে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিনিয়োগ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে।
রমজানের আগেই এলপিজি সংকট কাটবে
আসন্ন রমজান মাসের আগে চলমান এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সংকট দূর হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অপারেটররা। মঙ্গলবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ আশ্বাস দেওয়া হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত ব্যর্থতায় দীর্ঘায়িত হচ্ছে এলপিজি সংকট
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলমান তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংকটের এখনও কার্যকর কোনো সমাধান মেলেনি। সরকারের একাধিক উদ্যোগ সত্ত্বেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। ব্যবসায়ীদের পর্যাপ্ত সাড়া না পাওয়ার পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে আমদানি ও বোতলজাতকরণের সীমিত সক্ষমতার কারণে সংকট দ্রুত কাটার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।
পাতা 1 এর 1.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি