English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
২১ ফাল্গুন ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
শুল্ক
আক্ষরিক অর্থেই দাসত্বের চুক্তি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল আলোচিত স্লোগান, “আমেরিকা ফার্স্ট”। দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার চার মাসেরও কম সময়ের মধ্যে সে শ্লোগান বাস্তবায়ন করতে বিশ্বের প্রায় সকল দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের উপর বিভিন্ন হারে বিদ্যমান শুল্কের সঙ্গে অতিরিক্ত পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই পাল্টা শুল্ক আরোপের আগে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত পণ্যের উপর আমেরিকার গড় শুল্ক হার ছিল ১৫.৫ শতাংশ।
বছরে ৪২ হাজার কোটি টাকার মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত পাল্টা শুল্কসংক্রান্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলা দিয়ে তৈরি পোশাক শুল্কমুক্তভাবে তাদের বাজারে প্রবেশাধিকার পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। তবে এর বিনিময়ে বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার কৃষিপণ্য কিনতে হবে। অর্থাৎ, শুল্কছাড়ের নামে আসলে বাংলাদেশের ওপর নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।
ঢাকা-ওয়াশিংটন বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর, পাল্টা শুল্ক কমলো মাত্র ১ শতাংশ
জাতীয় নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল আলোচিত পাল্টা শুল্কসংক্রান্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহার করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক দেশটির বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে।
ভারতের মার্কিন শুল্ক কমায় চাপে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র-ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তিতে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে নতুন সংকটে ফেলেছে। ভারতের পণ্যের ওপর মার্কিন বাজারে শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশে আনা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর কার্যকর শুল্ক এখনো ২০ শতাংশে রয়েছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রধান রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে মূল্যগত ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউনূস সরকারের ‘গোপন’ শুল্ক চুক্তি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় শুল্ক চুক্তি সই করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে ব্যবসায়ী ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্ন ও উদ্বেগ বাড়ছে। আগামী সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে চুক্তি স্বাক্ষরের কথা থাকলেও এর খসড়া ও শর্তাবলি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে বাস্তবায়নের দায় নিতে হলেও জনপরিসরে চুক্তির প্রকৃত প্রভাব নিয়ে কোনো স্পষ্টতা নেই।
দেশীয় স্পিনিং মিল সুরক্ষার আড়ালে তৈরি হচ্ছে ‘একচেটিয়া বাজার’
দেশীয় শিল্প রক্ষার নামে সুতা আমদানিতে শুল্কারোপ করে স্পিনিং মিলগুলোর জন্য ‘একচেটিয়া বাজার’ তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে পোশাক রপ্তানিকারকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। এতে তৈরি পোশাক খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন সংগঠনগুলোর নেতারা।
রপ্তানি আয়ে টানা চার মাস ধরে পতন অব্যাহত
বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে পতন অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ নভেম্বর মাসেও রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত বছর নভেম্বরের তুলনায় এ বছর একই মাসে রপ্তানি কমেছে ২৩ কোটি ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যা প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এ নিয়ে টানা চার মাস ধরে রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি চলছে।
অক্টোবরে রপ্তানি আয় কমেছে ৭.৪৩ শতাংশ
চলতি অর্থবছরের তৃতীয় মাসে দেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। অক্টোবর মাসে রপ্তানি হয়েছে ৩৮২ কোটি ৩৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭.৪৩ শতাংশ কম। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই পতনের মূল কারণ তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি হ্রাস।
সেপ্টেম্বরে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ৫.৬৬ শতাংশ, সামগ্রিক রপ্তানি আয় হ্রাস ৪.৬১ শতাংশ
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক (আরএমজি) যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত শুল্কারোপের প্রভাবে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর তথ্যে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশের সামগ্রিক রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬২৭.৫৮ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪.৬১ শতাংশ কম। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রফতানি আয় ছিল ৩ হাজার ৮০২.৮৭ মিলিয়ন ডলার।
পাতা 1 এর 1.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি