English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
বৈদেশিক ঋণ
নতুন অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে বড় দেশগুলো থেকে নেই নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ভারত, চীন, রাশিয়া ও জাপানের মতো বন্ধুপ্রতিম বড় দেশগুলোর কাছ থেকে নতুন কোনও ঋণ প্রতিশ্রুতি পায়নি বাংলাদেশ। একই সময়ে এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকও (এআইআইবি) কোনও নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে এসব দেশ ও সংস্থা আগের নেওয়া ঋণের অর্থ ছাড় করেছে।
ভারত, চীন, জাপান ও রাশিয়া থেকে নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি নেই
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বাংলাদেশ নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি পায়নি ভারত, চীন, জাপান ও রাশিয়ার কাছ থেকে। একই সময়ে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকেও কোনো নতুন প্রতিশ্রুতি আসেনি। তবে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), বিশ্বব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) এবং আরও কিছু দেশ ও সংস্থা থেকে প্রায় ১২১ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এককভাবে এডিবি দিয়েছে সর্বোচ্চ ৫৮ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ঋণচাপ মিলিয়ে ক্রমশ সংকীর্ণ হচ্ছে পথ
বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। রাজস্ব আয় কম, বিনিয়োগে স্থবিরতা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারণে সরকারি ঋণভার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যয় ক্রমাগত বাড়লেও রাজস্ব আহরণ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বাড়ছে না। ফলে ঘাটতি পূরণে সরকারকে বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে। গত এক বছরে সরকারের মোট ঋণ বেড়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা, যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম দ্রুত ঋণবৃদ্ধির ঘটনা।
নাজুক আর্থিক ব্যবস্থাপনায় চলতি ব্যয় মেটাতেও ঋণের ওপর নির্ভরশীল
তীব্র অর্থ সংকটে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাজস্ব আদায় কমে যাওয়া, বিগত সরকারের নেওয়া দেশি-বিদেশি ঋণের কিস্তি ও সুদপরিশোধের চাপ এবং দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাব—এ তিন কারণে রাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নাজুক হয়ে উঠেছে। ফলে সরকারের পরিকল্পিত চলতি খরচও মেটাতে হচ্ছে ঋণ নিয়ে। দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে কৃচ্ছসাধনের নীতি নিলেও অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের ঋণ বাড়ছে। বিপরীতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও মন্থর হয়ে পড়েছে।
নির্বাচিত সরকার ছাড়া ঋণের অর্থ ছাড় নয়
আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশে ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি ছাড়ে নতুন অবস্থান নিয়েছে। সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচিত সরকার গঠনের আগে তারা এই কিস্তির অর্থ ছাড় করবে না। নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে চলমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে তাদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি নিয়েই কিস্তি ছাড়ের সিদ্ধান্ত হবে।
আইএমএফ ঋণ কর্মসূচির প্রভাবে বাংলাদেশে বেকারত্ব বাড়ছে
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশসহ বহু দেশেই কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়েছে এবং বেকারত্ব বেড়েছে বলে গবেষণা ও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ১৯৮১ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে আইএমএফের শর্তযুক্ত ঋণ গ্রহণকারী দেশগুলোর শ্রমবাজার নিয়ে গ্রিসের দুই অর্থনীতিবিদ মাইকেল ক্লেটসস ও আন্দ্রেয়াস সিন্টোসের গবেষণায় দেখা যায়, এসব দেশে লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। তাদের গবেষণা প্রবন্ধটি প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান জার্নাল অব পলিটিক্যাল ইকোনমি।
আইএমএফের নতুন শর্তে সীমিত হলো বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ গ্রহণ
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ গ্রহণের ওপর সীমারেখা নির্ধারণ করেছে। চলতি অর্থবছর ২০২৫-২৬ সালে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ৮.৪৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণ নিতে পারবে। প্রথম ত্রৈমাসিকে সর্বোচ্চ ১.৯১ বিলিয়ন ডলার এবং প্রথমার্ধে ৩.৩৪ বিলিয়ন ডলার নেওয়া যাবে।
তিন মাসে বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার, চাপ বাড়ছে সরকারি খাতে
বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ তিন মাসে বেড়েছে ৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার, যার বড় অংশই গেছে সরকারি খাতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত সময়ে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ১০৪.৮০ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১২.১৫ বিলিয়ন ডলারে।
বৈদেশিক ঋণে নতুন রেকর্ড, মাথাপিছু ঋণ ৭৭ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে
বাংলাদেশের ইতিহাসে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে। চলতি বছরের জুন শেষে মোট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ১১২.১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা। দেশের প্রতি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ এখন প্রায় ৬৩৮ ডলার বা ৭৭ হাজার ৪৩৩ টাকা।
৩ মাসে নতুন ঋণ ৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার, সমালোচনায় দ্বিমুখী অবস্থান ইউনূস সরকারের
বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়ে জুন প্রান্তিকে দাঁড়িয়েছে ১১২ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার, যা তিন মাস আগের তুলনায় ৭ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সরকারি খাতেই ঋণ বৃদ্ধির বড় অংশ গেছে, আর বেসরকারি খাতে নতুন বিনিয়োগ না থাকায় এ খাতে ঋণ সামান্য কমেছে।
পাতা 1 এর 1.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি