English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
২১ ফাল্গুন ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
বৈদেশিক ঋণ
নতুন সরকারের সামনে শীর্ষ চার চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশে নবনির্বাচিত সরকারের সামনে এখন রাষ্ট্র পরিচালনার কঠিন পরীক্ষা। বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন সরকারকে একই সঙ্গে চারটি বড় খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে—অর্থনীতি, শিক্ষা, কূটনীতি এবং বাজার নিয়ন্ত্রণ।
আগের ঋণের চাপ কীভাবে সামাল দেবে বিএনপি সরকার?
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রায় চার দশকের মধ্যে এই প্রথম সরকারকে নিয়মিত পরিচালন ব্যয় মেটাতেই ঋণ নিতে হয়েছে। অর্থাৎ বেতন-ভাতা, সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি ও দৈনন্দিন প্রশাসনিক খরচ চালাতে রাজস্ব আয় যথেষ্ট হয়নি। উন্নয়ন ব্যয় তো দূরের কথা, রাষ্ট্রের নিয়মিত চাকা সচল রাখতেই ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।
২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে যাত্রা শুরু বিএনপি সরকারের
রাজনৈতিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন সরকারের কাঁধে উঠছে ২৩ লাখ কোটি টাকারও বেশি সরকারি ঋণের ভার যার বড় অংশই সঞ্চিত হয়েছে শেষ ১৯ মাসে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে উচ্চ ঋণনির্ভরতা, সুদহার চাপ, বিনিয়োগ স্থবিরতা ও রাজস্ব ঘাটতির বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
উন্নয়নে নজর নেই, তবু হুহু করে বাড়ছে বিদেশি ঋণ
বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় কম হলেও বিদেশি ঋণ দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। বাজেট ঘাটতি পূরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় সরকার প্রকল্প ঋণের পরিবর্তে দ্রুত ছাড়যোগ্য বাজেট সহায়তা ঋণের ওপর নির্ভর করছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে টাকার অবমূল্যায়ন। ফলে মাত্র তিন বছরে বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
ইউনূস সরকারের শেষ ১৫ মাসেই ঋণ বেড়েছে ২.৬০ লাখ কোটি টাকা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রায় ১৫ মাসে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে সরকারের মোট ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। বাজেট বাস্তবায়ন, ঘাটতি মেটানো এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপে ধারাবাহিক ঋণগ্রহণের ফলে এই ঋণভার দ্রুত বেড়েছে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। সম্প্রতি চূড়ান্ত করা পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঋণ পরিশোধ চললেও নতুন ঋণের গতি থামছে না।
বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক তৎপরতা
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) বাংলাদেশের জন্য আগামী দুই বছরে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকি হিসেবে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক তৎপরতাকে চিহ্নিত করেছে। সংস্থাটির প্রকাশিত গ্লোবাল রিস্কস রিপোর্ট ২০২৬-এ বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য এই ঝুঁকিই সবচেয়ে গুরুতর হবে।
নতুন অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে বড় দেশগুলো থেকে নেই নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ভারত, চীন, রাশিয়া ও জাপানের মতো বন্ধুপ্রতিম বড় দেশগুলোর কাছ থেকে নতুন কোনও ঋণ প্রতিশ্রুতি পায়নি বাংলাদেশ। একই সময়ে এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকও (এআইআইবি) কোনও নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে এসব দেশ ও সংস্থা আগের নেওয়া ঋণের অর্থ ছাড় করেছে।
ভারত, চীন, জাপান ও রাশিয়া থেকে নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি নেই
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বাংলাদেশ নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি পায়নি ভারত, চীন, জাপান ও রাশিয়ার কাছ থেকে। একই সময়ে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকেও কোনো নতুন প্রতিশ্রুতি আসেনি। তবে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), বিশ্বব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) এবং আরও কিছু দেশ ও সংস্থা থেকে প্রায় ১২১ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এককভাবে এডিবি দিয়েছে সর্বোচ্চ ৫৮ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ঋণচাপ মিলিয়ে ক্রমশ সংকীর্ণ হচ্ছে পথ
বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। রাজস্ব আয় কম, বিনিয়োগে স্থবিরতা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারণে সরকারি ঋণভার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যয় ক্রমাগত বাড়লেও রাজস্ব আহরণ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বাড়ছে না। ফলে ঘাটতি পূরণে সরকারকে বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে। গত এক বছরে সরকারের মোট ঋণ বেড়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা, যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম দ্রুত ঋণবৃদ্ধির ঘটনা।
নাজুক আর্থিক ব্যবস্থাপনায় চলতি ব্যয় মেটাতেও ঋণের ওপর নির্ভরশীল
তীব্র অর্থ সংকটে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাজস্ব আদায় কমে যাওয়া, বিগত সরকারের নেওয়া দেশি-বিদেশি ঋণের কিস্তি ও সুদপরিশোধের চাপ এবং দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাব—এ তিন কারণে রাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নাজুক হয়ে উঠেছে। ফলে সরকারের পরিকল্পিত চলতি খরচও মেটাতে হচ্ছে ঋণ নিয়ে। দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে কৃচ্ছসাধনের নীতি নিলেও অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের ঋণ বাড়ছে। বিপরীতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও মন্থর হয়ে পড়েছে।
পাতা 1 এর 2.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি