English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
২১ ফাল্গুন ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
বিএনপি
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ সোমবার বিকেলে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বিএনপি সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান আগামী সোমবার বিকালে অনুষ্ঠিত হবে। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ গেজেট প্রকাশ করা হয়।
১৯ থেকে ৭ এ নেমেছে সরাসরি নির্বাচিত নারী সাংসদের সংখ্যা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে বিজয়ের উচ্ছ্বাসের মাঝেই সামনে এসেছে নারী প্রতিনিধিত্বে বড় ধরনের পতনের চিত্র। এবারের নির্বাচনে সরাসরি ভোটে জিতেছেন মাত্র ৭ জন নারী প্রার্থী, যা আগের সংসদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
সাহাবুদ্দিন সরে গেলে কী হবে, নতুন মুখ কে?
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন—রাষ্ট্রপতি পদে কী পরিবর্তন আসছে। বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন কয়েক মাস আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর পর তিনি বঙ্গভবনের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে পারেন। যদিও সেটি তাৎক্ষণিক ঘোষণা ছিল না, তবুও নির্বাচন সামনে রেখে তার সেই বক্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
২৯৭ আসনের ফলাফলে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে তারেক রহমান
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ সহ প্রায় ২১ দলের অনুপস্থিতিতে হওয়া এই নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পথ সুগম করেছে। দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, যারা পেয়েছে ৬৮টি আসন।
জয়-পরাজয়ের সঙ্গে বাড়ছে সন্দেহ, একাধিক আসনে কারচুপির অভিযোগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন আসনে ফল ঘোষণা, পুনর্গণনার দাবি, ‘জাল ভোট’ ও ‘ফল টেম্পারিং’-এর অভিযোগকে ঘিরে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যেই রিটার্নিং কর্মকর্তারা একে একে ফলাফল ঘোষণা করেন। বিশেষ করে ঢাকা-৮, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৭ এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলায় নাটকীয়তা ছিল সবচেয়ে বেশি।
ফখরুল-তারেকের বড় জয়, ঢাকা-৮ আসনে কারচুপির অভিযোগে উত্তেজনা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই বিভিন্ন আসনে ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ফলাফলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপি প্রার্থীরা এগিয়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ আসনে এগিয়ে থাকা বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। একইসঙ্গে বগুড়া-৬ আসনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে ঢাকা-৮ আসনে ভোট গণনা নিয়ে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
নগদের স্রোত, আটক নেতা–কর্মী, ফলাফলে কতটা প্রভাব?
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ঠিক আগের রাত যা নির্বাচনি ভাষায় ‘সাইলেন্ট পিরিয়ড’ নামে পরিচিত, সেই সময়েই দেশের বিভিন্ন জেলায় নগদ অর্থ বিতরণের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নির্বাচনি মাঠ। বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিংবা নির্দিষ্ট ভোটার গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে টাকা দেওয়ার চেষ্টা, গাড়িতে করে বিপুল পরিমাণ নগদ পরিবহন, এমনকি হাতেনাতে আটক হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে একাধিক স্থানে। প্রশাসন বলছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনে ইসলামপন্থী দলের উত্থানে শঙ্কা
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে যখন দীর্ঘ ১৭ বছর পর ‘অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের’ প্রত্যাশায় দেশের বহু মানুষ আশাবাদী, তখন নারীদের একটি বড় অংশের মধ্যে বাড়ছে ভিন্ন ধরনের উদ্বেগ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামী–র পুনরুত্থান নারীর অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
নারী ভোটারই ‘টার্গেট’, কিন্তু প্রার্থী তালিকায় উপেক্ষিত নারী নেতৃত্ব
দেশের মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেকের বেশি নারী। সংখ্যার বিচারে তারাই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ‘টার্গেট গ্রুপ’। অথচ প্রার্থী তালিকা ও নির্বাচনি প্রচারণার নেতৃত্বে নারীদের উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে কম—এমন বৈপরীত্যকে ঘিরে এবারের জাতীয় নির্বাচনে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে। নারী অধিকারকর্মীরা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর এই ‘উন্নাসিকতা’ কেবল প্রতীকী নয়, বরং নারীর নেতৃত্ব বিকাশের পথে কাঠামোগত বাধা তৈরি করছে।
নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না ২১টিরও বেশি রাজনৈতিক দল
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ‘অংশগ্রহণমূলক’ ও ‘প্রতিযোগিতামূলক’ ভোটের কথা বললেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে অন্তত ২১টি দল দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না; কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দেশের বৃহত্তম দল আওয়ামী লীগও ভোটের বাইরে।
« প্রথম
আগের
পাতা 3 এর 16.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি