English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
২২ ফাল্গুন ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
গণতন্ত্র
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে আইনজীবীদের ওপর ধারাবাহিক দমন-পীড়ন চলছে
বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আইনজীবীদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার ওপর ধারাবাহিক দমন-পীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এ পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ১৫টি দেশ-বিদেশের মানবাধিকার ও আইনী প্রতিষ্ঠান।
ইউএনডিপিকে সতর্ক করে চিঠি পাঠালো আওয়ামী লীগ
বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-কে উদ্দেশ্য করে পাঠানো এক পত্রে ভোট-সংক্রান্ত কার্যক্রমে পক্ষপাত ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছে। দলের পক্ষ থেকে ১ নভেম্বর ইউএনডিপির বাংলাদেশ রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ স্টেফান লিলার বরাবর পাঠানো ১৮ পৃষ্ঠার ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘ব্যালট প্রজেক্ট (২০২৫–২৭)’ বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জাতিসংঘের নিরপেক্ষ নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
রাজনীতির সার্কাসে সোনার বাংলায় নামিতেছে শীত, আতঙ্কের জনপদ
বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রযন্ত্র আজকাল যেন এক বিশাল সার্কাসের মঞ্চ। এইখানে রাজনীতিবিদেরা হইলেন জোকার, জনগণ দর্শক, আর গণতন্ত্র? সে তো এখন কেবলি পোস্টারবন্দি এক চরিত্র, যাহাকে মাঝে মধ্যে স্মরণ করা হয়, যেন পুরাতন প্রেমিকার মতোন—যাহার কথা মনে পড়ে, কিন্তু ফিরিয়া আসে না।
রয়টার্সের প্রতিবেদন নিয়ে ক্ষোভ, বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে হুমকি—বাংলাদেশে গণমাধ্যম স্বাধীনতা নতুন সংকটে
বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ আবারও সামনে এসেছে। সম্প্রতি ইউনূস সরকারের প্রেস উইং থেকে আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে ‘হুমকি’ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারের সমালোচনা করলেই বিদেশি গণমাধ্যমকে ‘প্রতিক্রিয়ার মুখে’ পড়তে হচ্ছে এমন পরিস্থিতিকে বিশ্লেষকরা বাংলাদেশের গণমাধ্যম ইতিহাসের এক নতুন অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।
শেখ হাসিনার নীরব প্রত্যাবর্তন
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন। সেখান থেকে রয়টার্স–কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, আগামী জাতীয় নির্বাচনে তাঁর দল ‘আওয়ামী লীগ’-কে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সেহেতু তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে বাদ দেওয়া হলে, সেই নির্বাচনের পর গঠিত কোনো সরকারের অধীনে তিনি আর দেশে ফিরবেন না। এটি কেবল একজন সাবেক নেতার ক্ষোভ নয় বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক যুগের পরিসমাপ্তি এবং গণতন্ত্রের মূল কাঠামোর উপর সরাসরি আঘাতের প্রতিফলন।
সাংবাদিকরা বলছেন, ‘মন খুলে লিখতে পারি না, মবের ভীতি’
গণমাধ্যম সংস্কার নিয়ে আশাবাদ তৈরির পরও বাস্তবতায় হতাশা বাড়ছে। মার্চে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন সরকারকে যে সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদন দিয়েছে, তার সাত মাস অতিবাহিত হলেও বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বরং সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা আইন দ্রুত করতে কমিশন যে অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করেছিল, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সেটিকে এমনভাবে পরিবর্তন করছে যে এটি প্রয়োগ হলে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা আরও দুর্বল হতে পারে।
জুলাই সনদ: ব্যর্থতার ব্যালকনিতে সুশীলতার সেলফি
হে বঙ্গবাসী, শুনো এক মহাসনদের কাহিনি যেখানে রাষ্ট্র দেউলিয়া, জনগণ ক্ষুধার্ত অথচ উচ্চ মহলে চলিতেছে ‘জুলাই সনদ’ নামক বিলাসবহুল উৎসব। এই সনদ যেন এক অলৌকিক চুক্তিপত্র, যেখানে ব্যর্থতা ঢাকিয়া দেওয়া হয় শব্দের ঝলকানিতে আর জনগণের কান্না হয় ‘গণতান্ত্রিক ঐকমত্য’।
‘ঐক্যের দলিল’ না নতুন বিভাজনের প্রতিচ্ছবি?
বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ‘জুলাই সনদ’। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই দলিলে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস একে আখ্যা দেন “বর্বরতা থেকে সভ্যতায় আসার প্রমাণ” হিসেবে। তবে একই দিনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা এই সনদকে কেন্দ্র করে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
নোবেল পুরস্কার, সাম্রাজ্যবাদ ও দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাজনৈতিক ছক
২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণার পর লাতিন আমেরিকা থেকে দক্ষিণ এশিয়া-দুই প্রান্তেই এক প্রশ্ন আবার জেগে উঠেছে; নোবেল কি এখন শুধুই মানবতার প্রতীক, নাকি এটি হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক রাজনীতির কূটনৈতিক হাতিয়ার? ভেনেজুয়েলার বিরোধী রাজনীতিক মারিয়া কোরিনা মাচাদো–কে শান্তি পুরস্কার দেওয়া যেমন মার্কিন প্রভাববিস্তারী কৌশলের অভিযোগ উস্কে দিয়েছে, তেমনি বাংলাদেশে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুস–এর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড পরবর্তী রাজনৈতিক পুনরুত্থান নিয়েও নতুন প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নয়, শান্তিতে নোবেল পেলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো
ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো পেয়েছেন ২০২৫ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার। দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে তাঁর নিরলস সংগ্রাম এবং অনমনীয় নৈতিক নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ শুক্রবার নরওয়ের অসলোতে নোবেল কমিটি তাঁর নাম ঘোষণা করে।
« প্রথম
আগের
পাতা 10 এর 13.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি