English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
কূটনীতি
“শেখ হাসিনা কি ভারতের আজ্ঞাবহ না ভারতবিরোধী?”
বাংলাদেশের রাজনীতির মঞ্চে আজ এক অদ্ভুত নাটক চলিতেছে। একদল সমালোচক বলিতেছে শেখ হাসিনা ভারতের আজ্ঞাবহ; অপরদল বলিতেছে তিনি ছিলেন ভারতের চোখে চোখ রাখিয়া দাঁড়াইবার একমাত্র সাহসী নেতা। সত্য কথা হইল, উভয় পক্ষই আংশিক সত্য বলিতেছে, আবার উভয় পক্ষই আংশিক মিথ্যা বলিতেছে। কারণ হাসিনার কূটনীতি ছিল এমন এক জাদুকরী নাটক, যেখানে ভারত হাসে, চীন হাসে আর বাংলাদেশের অর্থনীতি নিরবে বিকশিত হয়।
ভারতের দৃষ্টি এখন বাংলাদেশের দিকে: রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব
ভারতের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবার দক্ষিণ এশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। গত বছর ছাত্র নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের পর দেশে সরকার পরিবর্তিত হয়েছে। আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই সময় ভারতের কৌশল শুধু দুই দেশের সম্পর্ক নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও ভারতের প্রভাবকে প্রভাবিত করতে পারে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না ভারত
বাংলাদেশের চলমান অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করলেও দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করছে না এমন অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশ মিশনে সর্বপ্রথম বিজয় দিবস পালন
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে হঠাৎ ফোন এলো এবং তিনি বললেন “আমি আপনাকে সৌদী আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োগ দিতে চাই, আপনি রাজী আছেন?” ফোনটি অপ্রত্যাশিত। কারণ আমি রাষ্ট্রদূত বা কোনো পদপদবির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কখনো অনুরোধ করিনি। এগুলো আমার মাথায় কখনো আসেনি।
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে জরুরী তলব
বাংলাদেশে ক্রমাবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে তাঁকে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে নেওয়া হয়।
বিজয়ের আগেই কূটনৈতিক কৌশল বদলেছিল ওয়াশিংটন
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিল প্রায় নিশ্চিত বাস্তবতা। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রও তাদের কূটনৈতিক অবস্থান পুনর্বিবেচনা শুরু করে। ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো গোপন টেলিগ্রামে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ অনিবার্য এবং যুক্তরাষ্ট্রকে সেই বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।
প্রণয় ভার্মাকে তলবের পর ঢাকার উদ্বেগ প্রত্যাখ্যান করল নয়াদিল্লি
ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে উদ্বেগ জানাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে বাংলাদেশ সরকার। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাকে তলব করা হয়।
দিল্লীতে পুতিন–শেখ হাসিনার একান্ত বৈঠকের গুঞ্জন
ভারত সফররত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত বৈঠক হয়েছে এমন গুঞ্জনে সরগরম দিল্লির কূটনৈতিক অঙ্গন। একাধিক সূত্র দাবি করছে, এই বৈঠকটি পুতিনের ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে নির্ধারিত সাক্ষাতের ঠিক আগে অনুষ্ঠিত হয়।
৪ ডিসেম্বর ১৯৭১: বিজয়ের পথে মুক্তিযুদ্ধের মোড় ঘোরানো এক দিন
মুক্তিযুদ্ধের এই দিনের তাৎপর্য ইতিহাসে বিশেষভাবে উজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের পথে মুক্তিযোদ্ধাদের দুর্বার অগ্রযাত্রা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। একাত্তরের এই দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল মুক্ত হতে শুরু করে। বিজয়ের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে আকাশে-বাতাসে যা যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের আরও অপ্রতিরোধ্য করে তোলে।
দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সহযোগিতার আশ্বাস নরেন্দ্র মোদীর
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা জেনে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, যিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশের জনজীবনে অবদান রেখেছেন। তার দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য আমাদের প্রার্থনা ও শুভকামনা। যেকোনোভাবে পারি, সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দিতে ভারত প্রস্তুত।”
« প্রথম
আগের
পাতা 2 এর 6.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি