English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
৭ বৈশাখ ১৪৩৩
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
গণহত্যা
ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নে পাকিস্তানের দীর্ঘ নীরবতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ১৯৭১ সাল এক গভীর রক্তাক্ত অধ্যায়। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ, লাখো মানুষের প্রাণহানি এবং ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। কিন্তু স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা আজও অধরা যা দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম অমীমাংসিত প্রশ্ন হয়ে আছে।
ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে শহীদ মিনারে ‘আলোর মিছিল’, পরে গণকবরে শ্রদ্ধা
স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজধানীতে ‘আলোর মিছিল’ কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়।
গণহত্যার সেই রাত: অন্ধকার ভেদ করে স্বাধীনতার সূর্যোদয়
আমাদের স্বাধীনতার পূর্বরাত ২৫ মার্চ। এটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি স্মরণীয় দিন। এক ভয়াল নিষ্ঠুরতার স্মৃতি হিসেবে চিহ্নিত। এর পর পরই ঘোষিত হয় আমাদের স্বাধীনতা। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী একাত্তরের ২৫ মার্চে পরিকল্পিত পন্থায় নেমেছিল বাঙালি হত্যার মহোৎসবে, নেমেছিল রক্তের স্রোতে বাঙালির সব স্বপ্নকে ভাসিয়ে দিতে।
২৫ মার্চ রাতে সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাকআউট
১৯৭১ সালের ভয়াল ২৫ মার্চের নির্মম গণহত্যা স্মরণে সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাকআউট’ কর্মসূচি পালন করা হবে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সোমবার (২৩ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
একাত্তরে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যার স্বীকৃতি চেয়ে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ১৯৭১ সালে সংঘটিত নৃশংসতাকে আন্তর্জাতিকভাবে ‘গণহত্যা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে। গত ২০ মার্চ কংগ্রেস সদস্য গ্রেগ ল্যান্ডসম্যান প্রতিনিধি পরিষদে এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করেন। বর্তমানে এটি বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটিতে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে।
আইসিজেতে শুরু হচ্ছে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গুরুত্বপূর্ণ শুনানি শুরু হচ্ছে আগামী ১২ জানুয়ারি ২০২৬। মামলার মূল শুনানিতে গাম্বিয়া ও মিয়ানমার তাদের যুক্তি ও প্রমাণ উপস্থাপন করবে। এ শুনানিকে রোহিঙ্গাদের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে দেখছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, গ্লোবাল জাস্টিস সেন্টারসহ একাধিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন।
ভাঙচুরের পর দেড় বছরেও সংস্কার হয়নি বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি
বরিশালের ওয়াপদা কলোনি ও কীর্তনখোলা খালের তীরবর্তী এলাকা মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প ও টর্চার সেল। এখানেই হাজারো মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা করে লাশ ফেলা হয়েছিল সাগরদী খালে। স্বাধীনতার পর এলাকাটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বধ্যভূমি হিসেবে স্বীকৃতি পায়। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট ভাঙচুরের পর দেড় বছরেও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ফটিকছড়িতে হানাদার বাহিনীর বর্বরতা
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগী রাজাকাররা ফটিকছড়ি এলাকায় চালায় ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ। পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে ঈদের নামাজ শেষে মানুষ যখন আনন্দ ভাগাভাগি করছিলেন, তখনই তারা শাহনগর নাথপাড়া ও আশপাশের গ্রামগুলো ঘিরে ফেলে। মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজ দিতে চাপ সৃষ্টি করে, কিন্তু কেউ তথ্য না দেওয়ায় শুরু হয় লুণ্ঠন ও নির্যাতন।
জন্মস্থানে অবহেলিত কিংবদন্তি বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বী
মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দুদিন পর, ১৮ ডিসেম্বর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পাওয়া গিয়েছিল অসংখ্য মরদেহের ভিড়ে এক কিংবদন্তি চিকিৎসকের দেহ। তিনি ছিলেন বিশ্বখ্যাত কার্ডিওলজিস্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. ফজলে রাব্বী। পাকিস্তানি হানাদার ও আলবদর বাহিনী তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করা। অথচ বিজয়ের ৫৪ বছর পরও নিজ জন্মভূমি পাবনায় তার নামে নেই কোনও স্মৃতিচিহ্ন।
হাত-পা বাঁধা লাশ, অশ্রুসিক্ত বিজয়—জাতিকে মেধাশূন্য করার অপচেষ্টা
বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার নৃশংস পরিকল্পনার শিকার হয়েছিলেন দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানরা। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংঘটিত সেই পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ আজও আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে তাঁদের স্মৃতির প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
পাতা 1 এর 2.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি