English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
ভারত
এবার বাংলাদেশ বন্ধ করলো ভারতীয়দের ভিসা পরিষেবা
ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন নতুন মাত্রা পেল। সোমবার বিকেলে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং আগরতলা ও শিলিগুড়ির সহকারী হাইকমিশনে সব ধরনের কনসুলার ও ভিসা পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
“শেখ হাসিনা কি ভারতের আজ্ঞাবহ না ভারতবিরোধী?”
বাংলাদেশের রাজনীতির মঞ্চে আজ এক অদ্ভুত নাটক চলিতেছে। একদল সমালোচক বলিতেছে শেখ হাসিনা ভারতের আজ্ঞাবহ; অপরদল বলিতেছে তিনি ছিলেন ভারতের চোখে চোখ রাখিয়া দাঁড়াইবার একমাত্র সাহসী নেতা। সত্য কথা হইল, উভয় পক্ষই আংশিক সত্য বলিতেছে, আবার উভয় পক্ষই আংশিক মিথ্যা বলিতেছে। কারণ হাসিনার কূটনীতি ছিল এমন এক জাদুকরী নাটক, যেখানে ভারত হাসে, চীন হাসে আর বাংলাদেশের অর্থনীতি নিরবে বিকশিত হয়।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না ভারত
বাংলাদেশের চলমান অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করলেও দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করছে না এমন অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় জাপানের বিগ-বি প্রকল্প ঝুঁকির মুখে
বঙ্গোপসাগর ঘিরে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংযোগ, শিল্পায়ন ও বন্দরভিত্তিক লজিস্টিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক দশকেরও বেশি সময় আগে ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট’ বা বিগ-বি প্রকল্প হাতে নেয় জাপান। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত এ মেগা প্রকল্পকে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) বিকল্প হিসেবে ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে জাপানের কৌশলগত অবস্থান জোরদারের প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল।
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে জরুরী তলব
বাংলাদেশে ক্রমাবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে তাঁকে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে নেওয়া হয়।
বিজয়ের আগেই কূটনৈতিক কৌশল বদলেছিল ওয়াশিংটন
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিল প্রায় নিশ্চিত বাস্তবতা। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রও তাদের কূটনৈতিক অবস্থান পুনর্বিবেচনা শুরু করে। ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো গোপন টেলিগ্রামে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ অনিবার্য এবং যুক্তরাষ্ট্রকে সেই বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।
প্রণয় ভার্মাকে তলবের পর ঢাকার উদ্বেগ প্রত্যাখ্যান করল নয়াদিল্লি
ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে উদ্বেগ জানাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে বাংলাদেশ সরকার। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাকে তলব করা হয়।
বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌবহর, ঢাকা দখলের লড়াই তীব্র; দেশজুড়ে মুক্তিবাহিনীর বিজয় অগ্রযাত্রা
বিজয়ের প্রাক্কালে ১২ ডিসেম্বর ১৯৭১। একদিকে মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর ঢাকামুখী অভিযান গতি পাচ্ছিল, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলছিল তীব্র টানাপোড়েন। দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনী ক্রমশ প্রতিরোধ হারাচ্ছিল; একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–সোভিয়েত–চীনকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক কূটনৈতিক মঞ্চে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।
পালাতে থাকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, কূটনৈতিক চাপ ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনায় উত্তাল এক দিন
১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর—বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক সন্ধিক্ষণ। রণাঙ্গনে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সর্বাত্মক অগ্রযাত্রা, কূটনৈতিক ক্ষেত্রের দ্রুত পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক পরাশক্তির স্নায়ুযুদ্ধে উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয়ের পথ প্রায় নিশ্চিত হয়ে ওঠে এই দিনে।
রণাঙ্গনে বিজয়ের অগ্রযাত্রা, পাকিস্তানি বাহিনীর পতন অনিবার্য
বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের অষ্টম দিন। স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ছিল বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের এই দিনে পূর্বাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম কর্মকৌশল—সব রণাঙ্গনে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর অভূতপূর্ব অগ্রযাত্রায় দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনারা। একের পর এক জেলা হানাদারমুক্ত হয়, ভেঙে পড়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর যোগাযোগ, রসদ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। পুরো দেশজুড়ে বিজয়ের লাল-সবুজ ছায়া স্পষ্ট হতে থাকে।
« প্রথম
আগের
পাতা 2 এর 4.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি