English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
প্রাথমিক শিক্ষা
অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তায় শিক্ষা খাত
২০২৫ সালজুড়ে শিক্ষা খাত কাটিয়েছে একের পর এক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নানা দাবিতে আন্দোলন, শিক্ষা সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অনুপস্থিতি, শেখার ঘাটতি—সব মিলিয়ে বছরটি ছিল খাতটির জন্য আরেকটি অস্থির অধ্যায়।
প্রাথমিকে নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি, অসন্তোষ-অস্থিরতার শঙ্কা
আগামী জানুয়ারি থেকে দেশের এক লাখ ১৮ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই কোটি শিক্ষার্থী নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতির আওতায় আসছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য যে নির্দেশিকা প্রণয়ন করেছে, তাতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা যুক্ত করা হয়েছে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দেশের ৪২% জনগোষ্ঠীর শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণীর নিচে
বাংলাদেশে শতভাগ সাক্ষরতা নিশ্চিত করতে গত কয়েক দশকে সরকার ও বিভিন্ন এনজিও বহু প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। তবে এসব উদ্যোগের পরও দেশের ৪২ শতাংশ জনগোষ্ঠীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এখনো পঞ্চম শ্রেণীর নিচে। শিক্ষা খাতে দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলন ঠেকাতে বদলির ঝড়
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তিন দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকারের কঠোর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও বছরের শেষ সময়ে, এমনকি বার্ষিক পরীক্ষার সময়েও তারা কর্মবিরতি ও তালাবন্ধ কর্মসূচি পালন করছেন। এর ফলে সরকার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। অনেককে অন্য জেলায় বদলি করা হচ্ছে, আবার অনেককে শোকজ নোটিশ দেওয়া হচ্ছে।
সরকারি প্রাথমিক-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটে পরীক্ষার হলে বিশৃঙ্খলা
সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা গতকাল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে। সরকারের হুমকি সত্ত্বেও তারা পরীক্ষায় অংশ নেননি। ফলে শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সারা বছর প্রস্তুতি নেওয়ার পর শেষ মুহূর্তে এসে পরীক্ষার অনিশ্চয়তায় পড়েছে তারা।
দেশের অধিকাংশ সরকারি স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত
সরকারি মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কর্মবিরতি কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ায় দেশের অধিকাংশ সরকারি স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হলেও শিক্ষকরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
দেশে সাড়ে ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস বন্ধ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা আবারও টানা কর্মবিরতি শুরু করেছেন। তিন দফা দাবির পক্ষে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ২৫ নভেম্বর থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। এর ফলে দেশের সাড়ে ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, যা শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন করে সংকট তৈরি করেছে।
প্রাথমিক পেরোনো শিক্ষার্থীর অর্ধেকও পৌঁছায় না দশম শ্রেণিতে
বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করা শিশুদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও মাধ্যমিক স্তরে পৌঁছানোর আগেই অনেকেই ঝরে পড়ে। নতুন এক সরকারি জরিপে দেখা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ৮৪ শতাংশ শিশু, কিন্তু মাত্র ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী দশম শ্রেণি পর্যন্ত পৌঁছায়।
বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার কোচিং-বাণিজ্য
বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থা ক্রমেই কোচিংনির্ভর হয়ে উঠছে। প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত একাডেমিক কোচিং এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। কোচিং সেন্টারগুলোর সংগঠন সূত্রে জানা যায়, বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা এই খাতে লেনদেন হয়। তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এডুকেশন কমিউনিকেশনের জরিপে বলা হয়েছে, প্রকৃত অঙ্ক আরও বেশি—৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে এডুকেশন রিসার্চ কাউন্সিলের দাবি, বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকার কোচিং-বাণিজ্য হয়।
ইউনূস সরকারের ব্যর্থতায় মার্চের আগে সব বই পাবে না ১ কোটির বেশি শিক্ষার্থী
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রায় সাড়ে ৩০ কোটি পাঠ্যবই ছাপা হবে, যার মধ্যে মাধ্যমিকের বই ২১ কোটি ৯০ লাখ এবং নবম শ্রেণির বই প্রায় সাড়ে ৬ কোটি। তবে বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই সময়মতো পৌঁছানো নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির ১৪ কোটি বই এখনও ছাপার কাজ শুরু হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আগামী মার্চ মাসের আগে শিক্ষার্থীরা সব বই পাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থী ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন।
পাতা 1 এর 3.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি