English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
যুদ্ধাপরাধ
আইসিজেতে শুরু হচ্ছে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গুরুত্বপূর্ণ শুনানি শুরু হচ্ছে আগামী ১২ জানুয়ারি ২০২৬। মামলার মূল শুনানিতে গাম্বিয়া ও মিয়ানমার তাদের যুক্তি ও প্রমাণ উপস্থাপন করবে। এ শুনানিকে রোহিঙ্গাদের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে দেখছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, গ্লোবাল জাস্টিস সেন্টারসহ একাধিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন।
হাত-পা বাঁধা লাশ, অশ্রুসিক্ত বিজয়—জাতিকে মেধাশূন্য করার অপচেষ্টা
বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার নৃশংস পরিকল্পনার শিকার হয়েছিলেন দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানরা। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংঘটিত সেই পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ আজও আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে তাঁদের স্মৃতির প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
পরাজয় যতই স্পষ্ট, বুদ্ধিজীবী অপহরণের মাত্রা বাড়তে লাগল
১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের বিজয়ের দ্বারপ্রান্ত। চারদিকে বাঙালির বিজয় নিশান উড়ছে। পাকিস্তানকে রক্ষায় মার্কিন-চীনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়, আর সোভিয়েত ইউনিয়ন বাঙালির অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে পাশে দাঁড়ায়।
একদিনে ২৫৩ জনকে হত্যা, দেখিয়ে দিয়েছিল রাজাকাররা
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার চারটি গ্রামে সংঘটিত হয়েছিল ভয়াবহ গণহত্যা। স্থানীয় রাজাকার ও আলবদরদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনারা বিনোদবাড়ি, মানকোন, দড়িকৃষ্ণপুর ও কাতলসা গ্রামে নারী-শিশুসহ ২৫৩ জনকে একদিনে হত্যা করে। অন্তঃসত্ত্বা নারী থেকে শুরু করে শিশু পর্যন্ত কেউ রক্ষা পায়নি।
ভারতে পৌঁছে দেবার প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পাকিস্তানি সেনা ও বিহারীদের হাতে ৪১৩ জনের মৃত্যু
নীলফামারীর গোলাহাটে ১৯৭১ সালের ১৩ জুন পাকিস্তানি সেনা ও বিহারীদের হাতে ট্রেনে তোলা শত শত হিন্দু মারোয়ারিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় যা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নৃশংস গণহত্যা হিসেবে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ।
রাষ্ট্রীয় ক্ষমা চাওয়ার আন্তর্জাতিক দৃষ্টান্তঃ ইতিহাস, দায়বদ্ধতা ও পুনর্মিলনের প্রশ্ন
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—বিভিন্ন জাতি ও রাষ্ট্র তাদের যুদ্ধাপরাধ, ঔপনিবেশিক শাসন, দাসপ্রথা বা জাতিগত বৈষম্যের কারণে ভুক্তভোগীদের কাছে কখনো সরাসরি, কখনো আংশিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে। তবে এসব ক্ষমা সবসময় আন্তরিকতা বা কার্যকর ক্ষতিপূরণ দ্বারা সমর্থিত হয়নি। তবুও এগুলো আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পুনর্মিলন ও দায়বদ্ধতার একটি বড় প্রক্রিয়া।
পাতা 1 এর 1.
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি