বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ও চীন যৌথভাবে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-র সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতরা এই তথ্য জানান।
সচিবালয়ে বৈঠক শেষে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “বাংলাদেশ ও চীন ভবিষ্যতে জ্বালানি সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজ করবে। চীন বিশেষভাবে আগ্রহী বাংলাদেশের প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি সহায়তা দিতে।” তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে স্থাপিত সহযোগিতা কাঠামোতে চীন দ্রুত কার্যক্রম শুরু করতে প্রস্তুত।
এর আগে গত রোববার ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মা জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের আলোচনায় বলা হয়, বিদ্যমান চুক্তির আওতায় ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে প্রতি মাসে ২০ হাজার টন ডিজেল পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে সরবরাহ করার প্রস্তাব এসেছে। চলতি বছরের মধ্যে ইতিমধ্যে ৫ হাজার টন ডিজেল দেশে পৌঁছেছে।
আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ঢাকা ও দিল্লি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এছাড়া, চুক্তিতে থাকা অতিরিক্ত ৬০ হাজার টন ‘অপশনাল’ ডিজেল সংগ্রহের বিষয়েও বাংলাদেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।
জ্বালানি সংকটের এই সময় ভারত ও চীনের সহযোগিতা বাংলাদেশকে তেলের অভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হবে। দুই দেশের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।