English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
বাংলা সাহিত্য
লীলা আমার মায়ের নাম
সারোকোনার ফকির বাড়ির ছেলে এলদেম। বন্দিশ ফকিরের অধঃস্থন দ্বিতীয় পুরুষ। অকাল প্রয়াত মজলিশ ফকিরের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরের একমাত্র সন্তান। প্রথম স্ত্রীর সন্তান সন্ততি হয় নাই, তার অনুমতিক্রমে মজলিশ ফকির দ্বিতীয়বার শাদি করেছিলেন। পুত্র লাভ হয়েছে। সেই পুত্র পড়ালেখা করে স্কুল শিক্ষক হয়ে বাপ দাদাজানের মুখ উজ্জ্বল করে নাই, মুখে ভুষিকালি মাখিয়ে দিয়েছে। ফকিরদের সামাজিক শত্রু সৈয়দদের ঘরের মেয়ে চমন আরাকে শাদী করে পলাতক হয়েছে। সৈয়দদের মুখেও ভুষিকালি পড়েছে।
বেগম রোকেয়ার শিক্ষাব্রত
৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবসে আমরা স্মরণ করি বাংলার নারীজাগরণের পথিকৃত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেনকে যিনি শিক্ষার আলো দিয়ে নারীমুক্তির দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন। পুরুষতান্ত্রিক সমাজের কঠোর বাধা ভেদ করে তিনি নারীশিক্ষা, সাহিত্যচর্চা ও সামাজিক পুনর্জাগরণের এক উজ্জ্বল ইতিহাস গড়ে গেছেন। তাঁর জীবন, সংগ্রাম ও শিক্ষাদর্শ আজও আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস।
বত্রিশ বনাম ছত্রিশ...
লুৎফর রহমান রিটনের ছড়া ‘বত্রিশ বনাম ছত্রিশ’ অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক নির্মমতা, দুঃশাসন ও প্রতিশোধের আগুনকে প্রতীক করে রচিত এক তীব্র প্রতিবাদ। আগুনে পোড়া ইতিহাসের স্মৃতি তুলে ধরে কবি ইঙ্গিত করেছেন একই পরিণাম অপেক্ষা করছে বর্তমান অত্যাচারী শক্তির জন্যও।
সুফিয়া কামালের সাধনাশক্তি
বাংলাদেশের নারী আন্দোলন, মানবাধিকার, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে বেগম সুফিয়া কামাল এক অনন্য উজ্জ্বল নাম। কবি পরিচয়ের ঊর্ধ্বে মানবিকতার পথিকৃৎ, প্রগতিশীল চেতনার আলোকবর্তিকা এবং নিপীড়িত মানুষের সত্যকথার নির্ভীক কণ্ঠ ছিলেন তিনি। ২০ নভেম্বর ছিল তাঁর প্রয়াণদিন। আমরা স্মরণ করি তাঁর অদম্য সাধনাশক্তি, সংগ্রামী জীবন ও মানবমুক্তির প্রতি আজীবন নিবেদিত মননচর্চাকে।
হুমায়ূন আহমেদদের যুগ পেরিয়ে কাশেম বিন আবু বকরদের যুগে বাংলাদেশ?
বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদদের জনপ্রিয়তার যুগ পেরিয়ে দেশ ক্রমশ ঝুঁকছে কাশেম বিন আবু বকরদের উপ-সাহিত্যের দিকে যেখানে চটুল গল্প, ধর্মীয় আবেগ ও সংকীর্ণ মূল্যবোধই প্রধান। মূলধারার সাহিত্য দূরে সরে যাচ্ছে, জায়গা নিচ্ছে ধর্মান্ধতা আর সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা। ফলে প্রগতিশীল, মানবিক ও উদার পাঠকসমাজের ভরসা তৈরি করা সাহিত্যের জায়গা দখল করে নিচ্ছে পিছিয়ে পড়া, বদ্ধপরিকর ও বিভাজনমুখী একটি নতুন পাঠক সংস্কৃতি।
প্রচ্ছদ : হু আর ইউ
‘তিতাস একটি নদীর নাম’ ব্লক যুগের প্রচ্ছদ। সেটা কেমন? ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ বইয়ের এর থেকে ভালো প্রচ্ছদ করা কি সম্ভব? আমাদের দেশেই অন্তত তিরিশজন প্রকাশক ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ ছেপেছেন, বইয়ের মুদ্রণ স্বত্ব বিলোপ হলে পর। নানা ধরনের প্রচ্ছদ হয়েছে। সাত-আটটা প্রচ্ছদ আমি করেছি। হয় নাই। এরকমের একটা প্রচ্ছদের আইডিয়া কী করে আসে মাথায়, রণেন আয়ন দত্ত কি বলে গেছেন? কোনও সাক্ষাৎকারে কেউ প্রশ্ন করেন নাই? আমি জানি না।
শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের জীবনাবসান
খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, কথাসাহিত্যিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম আর নেই। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকাল ৫টায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
৬৩তম দিনের অপেক্ষা
এর আগে সে কাউকে খুন করেনি, তবে এই লোকটাকে নিশ্চিতভাবেই খুন করবে। তবে এ কাজের জন্য সে কোন বন্দুক জোগাড় করেনি, লোকটার মাথা বরাবর একটা বুলেট ছুঁড়ে বজ্রের মতো প্রচণ্ড আর দ্রুত মৃত্যু তাকে সে দেবে না। ছুরি দিয়ে লোকটার বুক ফেঁড়ে দিয়ে লাল রক্ত ঝরতে দেখে পুলকিত হবে না সে, সেই মৃত্যুও বড় দ্রুত। না খেতে দিয়েও সে লোকটাকে মরতে দেবে না, সেই মৃত্যুও বড় দ্রুত।
কল্পতরুর গল্পগরু
পথ যে এমন জটিল হতে পারে ঘৃতকুমারীর সেটা জানা ছিলো না। বেশ চলছিলো সে তরতর করে, তারপর হঠাৎ ডাল পালা সব উধাও। আর কে না জানে মসৃণ পথে এগিয়ে চলা কতবড় দুঃসাধ্য একটা কাজ!
বিশ্ব প্রলেতারিয়েত সাহিত্যের মানচিত্র এবং নজরুলের ‘মৃত্যুক্ষুধা’
এই যে সাম্যবাদী নজরুল—বলশেভিক বিপ্লবের সমর্থক নজরুল—তুরষ্কে কামাল পাশার উত্থানে উল্লসিত নজরুল—যিনি লেখেন ‘অসুরপুরে শোর উঠেছে জোরসে সামাল সামাল তাই!’ (যে কবিতা পড়ে বহু বছর পরে ‘দেশ’ পত্রিকায় এক আলাপচারিতায় শক্তিমান কথাশিল্পী আবুল বাশার নির্দেশ করবেন যে কীভাবে অনর্গল আরবি-ফার্সি শব্দের সাথে ‘অসুরপুরে’র মত শব্দের দূর্দান্ত বিয়ে দেয়া নজরুলের মত কবির পক্ষেই সম্ভব)— সেই নজরুলই তো লিখবেন ‘মৃত্যুক্ষুধা।’
« প্রথম
আগের
পাতা 2 এর 3.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি