English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
৩ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
অর্থনীতি
অর্থনীতির শুভ বছর আসবে কবে?
চব্বিশের আন্দোলনের পর দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার জঞ্জাল সরিয়ে অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত আনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বছর শেষে দেখা যাচ্ছে, সেই প্রত্যাশা বিন্দুমাত্র পূরণ হয়নি। ব্যাংক খাতসহ কিছু ক্ষেত্রে তথাকথিত সংস্কারের প্রলেপ পড়লেও সামগ্রিক অর্থনীতি একদমই স্থবির। প্রত্যাশার ফানুস খুব বেশি উড়তে পারেনি।
বেকারত্বের দুঃসহ রেকর্ডের বছর ২০২৫
২০২৫ সাল বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং শ্রমবাজারের জন্য ছিল অত্যন্ত সংকটাপন্ন বছর। শিল্প ও উৎপাদন খাতে কঠিন মন্দা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, ব্যাংকিং বাধা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে বেকারত্ব ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি; বরঞ্চ দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ হয়েছে শত শত কারখানা, ফলে লাখো শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন এবং সামাজিক অস্থিরতা তীব্র হয়েছে।
বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা
আরও একটি বছর ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হলো। ২০২৫ বিদায় নিল বাংলাদেশের জন্য এক গভীর অস্বস্তির স্মৃতি নিয়ে। এই বছরটি কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতার নয়; বরং সামাজিক নিরাপত্তা, মানবাধিকার, অর্থনীতি এবং গণতান্ত্রিক আস্থার একাধিক স্তরে সংকটের প্রতিচ্ছবি হয়ে রইল। নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে, কিন্তু সেই প্রত্যাশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন কিছু প্রশ্ন, চ্যালেঞ্জ এবং গভীর শঙ্কাও।
গত ১৬ মাসে ৫০ স্পিনিং মিল বন্ধ, কর্মহীন ২ লাখ মানুষ
ভারত থেকে সুতা আমদানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় দেশের স্পিনিং খাত বড় সংকটে পড়েছে। গত ২২ মাসে ভারত থেকে সুতা আমদানির পরিমাণ বেড়েছে ১৩৭ শতাংশ। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি সুতায় প্রায় ৩০ সেন্ট কম দামে ডাম্পিং করায় স্থানীয় বাজারে প্রতিযোগিতা হারিয়েছে দেশীয় কারখানাগুলো। এর ফলে ইতোমধ্যে ৫০টি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গেছে এবং প্রায় দুই লাখ শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়েছেন।
নতুন অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে বড় দেশগুলো থেকে নেই নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ভারত, চীন, রাশিয়া ও জাপানের মতো বন্ধুপ্রতিম বড় দেশগুলোর কাছ থেকে নতুন কোনও ঋণ প্রতিশ্রুতি পায়নি বাংলাদেশ। একই সময়ে এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকও (এআইআইবি) কোনও নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে এসব দেশ ও সংস্থা আগের নেওয়া ঋণের অর্থ ছাড় করেছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়ন প্রকল্পে অন্তর্বর্তী সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে বিতর্ক
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার সম্প্রতি একটি বৃহৎ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক বেশি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
লন্ডনে কর্মহীন প্রায় ৪০ শতাংশ বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি
ব্রিটেনে গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিশু বর্তমানে এমন পরিবারে বেড়ে উঠছে, যেখানে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের কর্মসংস্থান নেই। একই সঙ্গে লন্ডনে বসবাসরত কর্মক্ষম বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি নাগরিকদের প্রায় ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশই কর্মহীন—যা রাজধানীতে বসবাসরত সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সর্বোচ্চ হার।
শিল্প-বিনিয়োগে স্থবিরতা, সরকার ধারদেনায়
বাংলাদেশের অর্থনীতি গত দেড় বছর ধরে এক অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা, ঋণ প্রবাহ হ্রাস এবং আমদানি-রপ্তানিতে স্থবিরতা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সমানভাবে চাপে ফেলেছে। শিল্প-বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারের দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতিও অস্পষ্ট।
সরকারি ব্যয় সামলাতে সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ে কাটছাঁট
অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন বছরে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে। অর্থ বিভাগের প্রস্তাব অর্থ উপদেষ্টার অনুমোদন পেলেই তা কার্যকর হবে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) আনুষ্ঠানিক পরিপত্র জারি করবে। বর্তমানে সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১.৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৯.৭২ শতাংশ। নতুন প্রস্তাবে গড়ে ০.৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর কথা বলা হয়েছে।
২০২২-২০২৫ প্রান্তিকে দেশে দারিদ্র্য বাড়তে পারে ২ দশমিক ৫ শতাংশ
বাংলাদেশে দারিদ্র্য হ্রাসের ধারাবাহিকতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে থমকে গেছে। সামাজিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, গত ১৬ মাসের অবনতিতে সামগ্রিকভাবে ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের প্রান্তিকে দেশে দারিদ্র্য ২ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২১ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
« প্রথম
আগের
পাতা 2 এর 11.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি