English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
দারিদ্র্য
নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় তীব্র সংকটে খেটে খাওয়া মানুষ
বাংলাদেশে আয় বাড়লেও ব্যয়ের চাপ আরও দ্রুত বাড়ছে। মূল্যস্ফীতি কমার পরিসংখ্যান থাকলেও বাস্তবে মানুষের জীবনে স্বস্তি নেই। খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত পর্যন্ত সবাই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সংকটে পড়েছেন। সরকারি প্রতিবেদনেও দেখা যাচ্ছে, গত কয়েক বছর ধরে মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির তুলনায় অনেক কম। ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে।
‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক অধ্যাদেশ’ নিয়ে এনজিও খাতের উদ্বেগ
সরকারের প্রস্তাবিত ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক অধ্যাদেশ’ দেশের ক্ষুদ্রঋণ খাতের বাস্তবতা ও দীর্ঘদিনের অর্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এনজিও ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরা। তাদের মতে, এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নে ক্ষুদ্রঋণ খাতের ইতিবাচক ভূমিকা ব্যাহত হতে পারে।
বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা
আরও একটি বছর ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হলো। ২০২৫ বিদায় নিল বাংলাদেশের জন্য এক গভীর অস্বস্তির স্মৃতি নিয়ে। এই বছরটি কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতার নয়; বরং সামাজিক নিরাপত্তা, মানবাধিকার, অর্থনীতি এবং গণতান্ত্রিক আস্থার একাধিক স্তরে সংকটের প্রতিচ্ছবি হয়ে রইল। নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে, কিন্তু সেই প্রত্যাশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন কিছু প্রশ্ন, চ্যালেঞ্জ এবং গভীর শঙ্কাও।
বেহাল দশা কাটেনি স্বাস্থ্য খাতে
রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন ফয়েজ উদ্দিন। মাসে আয় মাত্র ১৮ হাজার টাকা। তাঁর ছেলে শিহাব উদ্দিন ব্রেন টিউমারসহ জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অপারেশন, ওষুধ ও পথ্য মিলিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকার প্রয়োজন। এরই মধ্যে সঞ্চয়ের ২ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। ছেলেকে বাঁচাতে তিনি ৩ লাখ টাকা ঋণ করেছেন। কিন্তু জানেন না কীভাবে এ ঋণ শোধ করবেন।
২০২২-২০২৫ প্রান্তিকে দেশে দারিদ্র্য বাড়তে পারে ২ দশমিক ৫ শতাংশ
বাংলাদেশে দারিদ্র্য হ্রাসের ধারাবাহিকতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে থমকে গেছে। সামাজিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, গত ১৬ মাসের অবনতিতে সামগ্রিকভাবে ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের প্রান্তিকে দেশে দারিদ্র্য ২ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২১ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
দরিদ্র পরিবারে শিশু-মৃত্যু বেশি, মায়েদের স্বাস্থ্যসেবায় তীব্র বৈষম্য
বাংলাদেশে দরিদ্র পরিবারগুলো শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্যে দ্বিমুখী বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। একদিকে পাঁচ বছরের আগেই শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি তাদের মধ্যে প্রায় দ্বিগুণ, অন্যদিকে প্রসূতি মায়েরা ধনীদের তুলনায় অনেক কম স্বাস্থ্যসেবা পান।
দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশের ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ
বাংলাদেশের প্রায় ছয় কোটি ২০ লাখ মানুষ যারা মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তারা অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বড় ধরনের অর্থনৈতিক ধাক্কায় যে কোনো সময় আবারও দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য মূল্যায়ন ২০২৫’ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
অনাহার ও ঋণের জালে বন্দী আফগানিস্তানের প্রতি ১০ পরিবারের ৯টি
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ চিত্র। আফগানিস্তানের প্রতি ১০ পরিবারের ৯টিই বর্তমানে হয় খাদ্য সংকটে ভুগছে, নয়তো ঋণের বোঝায় জর্জরিত। দেশটির অর্থনীতি ও মানবিক পরিস্থিতি ক্রমেই বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
রাজনৈতিক অস্থিরতায় বাংলাদেশে দারিদ্র্য বাড়ছে, ব্যর্থতার কেন্দ্রে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার
রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নীতিগত অদক্ষতার চাপে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার আবারও ঊর্ধ্বমুখী। লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এশিয়ান লাইট–এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার পতনের পর বিনিয়োগে ধস, শিল্পোৎপাদনে স্থবিরতা এবং শ্রমবাজারে সংকোচন সব মিলিয়ে অর্থনীতি স্পষ্টভাবে পিছিয়ে যাচ্ছে।
আয় কমছে, ব্যয় বাড়ছে, সংকটে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত
দেশের অর্থনীতি এখন বহুমাত্রিক চাপের মুখে পড়েছে। টানা তিন বছর ধরে শ্রমিকদের মজুরি মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না, ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রা ভয়াবহ সংকটে পড়েছে। খাদ্য, বাসাভাড়া, ওষুধ ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য ভেঙে পড়েছে। অনেকেই এখন সঞ্চয় ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন, কেউ কেউ ধার-ঋণ নিচ্ছেন টিকে থাকার জন্য।
পাতা 1 এর 2.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি