English
বলার স্বাধীনতা, জানার স্বাধীনতা
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
২ মাঘ ১৪৩২
English
জাতীয়
রাজনীতি
নাগরিক কথা
সারাদেশ
মানবাধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
সিনে দুনিয়া
ফিচার
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
প্রচ্ছদ
রাজনীতি
নাগরিক কথা
অর্থনীতি ও বাণিজ্য
স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন
শিক্ষা ভাবনা
সাহিত্য
প্রাণ ও পরিবেশ
টেক দুনিয়া
অপরাধ
আইন ও আদালত
চাকুরির খবর
ফিচার
খবর
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানবাধিকার
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশ
জেন্ডার ও নারী অধিকার
শিশু অধিকার
স্পোর্টস স্টেশন
ক্রিকেট
ফুটবল
অন্যান্য
বিনোদন ও সংস্কৃতি
সিনে দুনিয়া
নাটক
সংগীত
অন্যান্য
অনুসন্ধান
সর্বশেষ
বেকারত্ব
বেকারত্বের দুঃসহ রেকর্ডের বছর ২০২৫
২০২৫ সাল বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং শ্রমবাজারের জন্য ছিল অত্যন্ত সংকটাপন্ন বছর। শিল্প ও উৎপাদন খাতে কঠিন মন্দা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, ব্যাংকিং বাধা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে বেকারত্ব ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি; বরঞ্চ দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ হয়েছে শত শত কারখানা, ফলে লাখো শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন এবং সামাজিক অস্থিরতা তীব্র হয়েছে।
বাংলাদেশের সামনে আশা, চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কা
আরও একটি বছর ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হলো। ২০২৫ বিদায় নিল বাংলাদেশের জন্য এক গভীর অস্বস্তির স্মৃতি নিয়ে। এই বছরটি কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতার নয়; বরং সামাজিক নিরাপত্তা, মানবাধিকার, অর্থনীতি এবং গণতান্ত্রিক আস্থার একাধিক স্তরে সংকটের প্রতিচ্ছবি হয়ে রইল। নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে, কিন্তু সেই প্রত্যাশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন কিছু প্রশ্ন, চ্যালেঞ্জ এবং গভীর শঙ্কাও।
গত ১৬ মাসে ৫০ স্পিনিং মিল বন্ধ, কর্মহীন ২ লাখ মানুষ
ভারত থেকে সুতা আমদানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় দেশের স্পিনিং খাত বড় সংকটে পড়েছে। গত ২২ মাসে ভারত থেকে সুতা আমদানির পরিমাণ বেড়েছে ১৩৭ শতাংশ। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি সুতায় প্রায় ৩০ সেন্ট কম দামে ডাম্পিং করায় স্থানীয় বাজারে প্রতিযোগিতা হারিয়েছে দেশীয় কারখানাগুলো। এর ফলে ইতোমধ্যে ৫০টি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গেছে এবং প্রায় দুই লাখ শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়েছেন।
লন্ডনে কর্মহীন প্রায় ৪০ শতাংশ বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি
ব্রিটেনে গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিশু বর্তমানে এমন পরিবারে বেড়ে উঠছে, যেখানে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের কর্মসংস্থান নেই। একই সঙ্গে লন্ডনে বসবাসরত কর্মক্ষম বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি নাগরিকদের প্রায় ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশই কর্মহীন—যা রাজধানীতে বসবাসরত সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সর্বোচ্চ হার।
বাংলাদেশি গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা নিম্নস্তরে
বিশ্বব্যাপী চাকরিদাতাদের প্রত্যাশিত দক্ষতার সঙ্গে বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েটরা তাল মেলাতে পারছে না। কিউএস ওয়ার্ল্ড ফিউচার স্কিলস ইনডেক্স ২০২৫–এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দক্ষতা ও প্রস্তুতির দিক থেকে বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে।
২০২২-২০২৫ প্রান্তিকে দেশে দারিদ্র্য বাড়তে পারে ২ দশমিক ৫ শতাংশ
বাংলাদেশে দারিদ্র্য হ্রাসের ধারাবাহিকতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে থমকে গেছে। সামাজিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, গত ১৬ মাসের অবনতিতে সামগ্রিকভাবে ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের প্রান্তিকে দেশে দারিদ্র্য ২ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২১ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
ঋণ প্রবৃদ্ধি ও রপ্তানি কমছে, নাজুক হচ্ছে অর্থনীতি
বাংলাদেশের অর্থনীতি একাধিক সংকটে জর্জরিত। বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি, নতুন এলসি খোলা এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি—সব সূচকই নিম্নমুখী। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘায়িত মূল্যস্ফীতি, গ্যাস সংকট ও ডলারের তারল্য সমস্যা। ইতিমধ্যে সাড়ে তিন শতাধিক ছোট ও মাঝারি কারখানা বন্ধ হয়ে স্থানীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে।
রাজনৈতিক অস্থিরতায় বাংলাদেশে দারিদ্র্য বাড়ছে, ব্যর্থতার কেন্দ্রে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার
রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নীতিগত অদক্ষতার চাপে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার আবারও ঊর্ধ্বমুখী। লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এশিয়ান লাইট–এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার পতনের পর বিনিয়োগে ধস, শিল্পোৎপাদনে স্থবিরতা এবং শ্রমবাজারে সংকোচন সব মিলিয়ে অর্থনীতি স্পষ্টভাবে পিছিয়ে যাচ্ছে।
আয় কমছে, ব্যয় বাড়ছে, সংকটে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত
দেশের অর্থনীতি এখন বহুমাত্রিক চাপের মুখে পড়েছে। টানা তিন বছর ধরে শ্রমিকদের মজুরি মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না, ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রা ভয়াবহ সংকটে পড়েছে। খাদ্য, বাসাভাড়া, ওষুধ ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য ভেঙে পড়েছে। অনেকেই এখন সঞ্চয় ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন, কেউ কেউ ধার-ঋণ নিচ্ছেন টিকে থাকার জন্য।
রংপুরে মৌসুমি কর্মসংকটে কৃষিশ্রমিকদের দুর্দশা
রংপুর বিভাগের ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, গঙ্গাধর, তিস্তা ও ধরলা নদীর অববাহিকার চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় মৌসুমি কর্মসংকটে দিশেহারা হাজারো কৃষিশ্রমিক। আমন ধান কাটার মৌসুম শুরু হতে এখনও দুই-তিন সপ্তাহ বাকি। এরইমধ্যে কাজের অভাবে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। নদীভাঙন ও কর্মসংকট মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
পাতা 1 এর 3.
পরবর্তী
শেষ »
10/ প্রতি
20/ প্রতি
50/ প্রতি
100/ প্রতি