সর্বশেষ

ইউনূস সরকারের বিদায়

১৮ মাস ধরে বিদ্যুৎ খাতে সময়ক্ষেপণ ও স্থবিরতা

প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯:৪৯
১৮ মাস ধরে বিদ্যুৎ খাতে সময়ক্ষেপণ ও স্থবিরতা

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেড় বছর পার করে আজ বিদায় নিলো। এসময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। দ্বিতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা ভেস্তে যায়। এ সময়ে সরকার মূলত বকেয়া পরিশোধ ও ব্যয় সাশ্রয়ের দিকে মনোযোগ দিয়েছে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দুর্নীতির কথা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা স্বীকার করলেও দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা হয়নি। বরং আগের সরকারের নেওয়া প্রকল্পগুলোই সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। নতুন কোনো গ্যাস, তেল বা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়নি।  

 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারি অফিসগুলোকে রুফটপ সোলার ও নেট মিটারিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে। তবে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে চুক্তি সই ছাড়া দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।  

 

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অতীতের ভুল ও চুক্তি পর্যালোচনায় ব্যস্ত ছিল, ফলে ভবিষ্যতের প্রকল্পে মনোযোগ দিতে পারেনি। নবায়নযোগ্য খাতে কিছু নীতিমালা করা হলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা দেখা যাচ্ছে। অধ্যাপক বদরুল ইমাম মনে করেন, এ সময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, শুধু রুটিন কাজ হয়েছে। সাগরে অনুসন্ধান কার্যক্রমও ধীরগতিতে চলছে।  

 

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, জ্বালানি আমদানি করতে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দরকার, তা জোগাড়ের সামর্থ্য সরকারের নেই। ফলে সংকট আরও প্রকট হয়েছে।

সব খবর